Odisha Train Accident: দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময়ই ফোনে কথা প্রধানমন্ত্রীর! কাকে কাকে ফোন মোদীর
ওড়িশার বালাসোরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা প্রায় ৩০০। অন্যদিকে আহতের সংখ্যা প্রায় হাজার। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। তিনি ঘটনাস্থলে পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গেও কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী এদিন শনিবারের দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে ত্রাণ কাজ পর্যালোচনা করেন। সবাইকে তিনি এক হয়ে কাজ করতেও বলেন। ঘটনাস্থল থেকে প্রধানমন্ত্রীকে মোবাইলে কথা বলতেও দেখা যায়। যা সচরাচর প্রধানমন্ত্রীকে করতে দেখা যায় না।

পরে জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন ঘটনাস্থল থেকে কথা বলেন ক্যাবিনেট সচিব এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডভিয়ার সঙ্গে। জনগণের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতেও তিনি সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেন বলে জানা গিয়েছে।
এদিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী বালাসোরের হাসপাতালে যান এবং সেখানে ভর্তি আহতদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীকে আহত যাত্রীদের সান্ত্বনা দিতেও দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রী এরপর চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন বলে জানা গিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদী আহত ও তাদের পরিবারকে সব ধরনের সহায়তা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। উল্লেখ করা প্রয়োজন, দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্তে শুক্রবারের দুর্ঘটনার পিছনে সিগন্যালের ত্রুটির কথাই উঠে এসেছে। তবে বিভিন্ন দিক থেকে দুর্ঘটনার কারণের তদন্ত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী জানিয়েছেন, যাঁকে দোষী পাওয়া যাবে, তাঁকে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে।
দুর্ঘটনার প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাহনগা বাজার স্টেশনের লুপ লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল একটি মালগাড়ি। সাধারণভাবে প্রতিটি স্টেশনেই অন্য ট্রেন পাস করাতে লুপ লাইন থেকে। এরই মধ্যে চেন্নাই থেকে হাওড়াগামী ১২৮৪১ করমণ্ডল এক্সপ্রেস বাহনগা বাজার স্টেশনে পৌঁছয়।

দুর্ঘটনাগ্রস্ত দুটি এক্সপ্রেস ট্রেনের কোনওটিরই লুপ লাইনে যাওয়ার কথা নয়। হাওড়াগামী ১২৮৪১ করমণ্ডল এক্সপ্রেস বাহনগা বাজার স্টেশনে মালগাড়ির সঙ্গে ধাক্কা খায় এবং কয়েকটি কামরা লাইনচ্যুত হয়। সেই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেসের ধাক্কা লাগে সেইসব কামরার সঙ্গে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তৎপর হয় রেল মন্ত্রক। বিপুল সংখ্যক উদ্ধারকারী দল, মেডিক্যাল ভ্যান পাঠানো হয় সেখানে। খড়গপুর, ভদ্রক, টাটানগর, সাঁতরাগাড়ি, খুরদারোড এবং বালাসোর থেকে রিলিফ ভ্যান পাঠানো হয় সেখানে।
রেল সূত্রে খবর করমণ্ডল এক্সপ্রেসে ১২৫৭ জন যাত্রী টিকিট বুক করেছিলেন। অন্যদিকে বেঙ্গালুরু হাওড়া যশবন্তপুর এক্সপ্রেসে ভ্রমণ করছিলেন অন্তত ১০৩৯ জন যাত্রী। শুক্রবার রাত ৮.৩০ নাগাদ ভদ্রক থেকে প্রথম মেডিক্যাল ভ্যান পৌঁছয় সেখানে।












Click it and Unblock the Notifications