Odisha Train Accident: দুর্ঘটনার প্রাথমিক রিপোর্টের কার্যত মান্যতা! CRS রিপোর্টের অপেক্ষায় রেলবোর্ড
শনিবার ওড়িশায় রেল দুর্ঘটনার প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয়েছিল সিগন্যালিংয়ের সমস্যার কারণে করমণ্ডল এক্সপ্রেস শুক্রবার ঢুকে পড়েছিল লুপলাইনে, ধাক্কা মারে লোহা ভর্তি মালগাড়ির পিছনে। এদিন রেলবোর্ডের শীর্ষ আধিকারিক জয়া ভার্মা সিনহাও সেই একই ইঙ্গিত করেছেন।
এদিন রেলবোর্ডের ওই আধিকারিক জানিয়েছেন শুধুমাত্র করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় পড়ে। ট্রেনটি সেই সময় ঘন্টায় ১২৮ কিমি বেগে চলছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত জয়া ভার্মা সিনহা রেল বোর্ডের অপারেশন অ্যান্ড বিজনিসে ডেভেলপমেন্ট মেম্বার। তবে তিনি জানিয়েছে রেলবোর্ডে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে।

শুক্রবার যে ঘটনাগুলি দুর্ঘটনাকে ভয়াবহতার দিকে নিয়ে গিয়েছে, তার বর্ণনা করে জয়া ভার্মা সিনহা বলেছেন, মালগাড়িটি লাইনচ্যুত হয়নি। যেহেতু সেটিতে লোহা ছিল, সেই কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল করমণ্ডল এক্সপ্রেস। বিপুল সংখ্যাক মৃত্যু এবং আহত যে কারণেই হয়েছে।

তিনি আরও বলেছেন, করমণ্ডল এক্সপ্রেসের বলিগুলি লাইনচ্যুত হয়ে ডাউন লাইনের ওপরে চলে যায়। যা সেই সময় ঘন্টায় ১২৬ কিমি বেগে চলা যশবন্তপুর এক্সপ্রেসের শেষ দুটি কামরাকে আঘাত করে। তিনি জানিয়েছেন, কবচের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তহবিল মঞ্জুর করা হয়েছে। তবে কবচ প্রতি বিভাগেই দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জয়া ভার্মা সিনহা জানিয়েছেন, যে পরিস্থিতিতে শুক্রবারের দুর্ঘটনা, তাতে এই কবচ কাজ করত না। কারণ ট্রেনের দূরত্ব ছিল মাত্র ১০০ মিটার। কবচের জন্য দরকার ৬০ মিটার। এটি আবার মেইন লাইনে কাজ করে না। এছাড়াও এখনও নাকতার কারণও উড়িয়ে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications