Odisha Train Accident:করমণ্ডল এক্সপ্রেস পূর্ণ গতিতে ছিল, থামানো সম্ভব ছিল না! বিবৃতি দিল রেলমন্ত্রক
ওড়িশার বালাসোরের ট্রেন দুর্ঘটনার ২৪ ঘন্টা পরে উদ্ধার কাজ প্রায় শেষের মুখে। মৃতের সংখ্যা প্রায় তিনশো। হাসপাতালে দুজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন। ইতিমধ্যে দুর্ঘটনার কারণ সিগন্যালিংয়ের ভুল, যা নিয়ে রেলের প্রাথমিক রিপোর্ট সামনে এসেছে।
রেলমন্ত্রকের তরফে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১২৪৮১ আপ করমণ্ডল এক্সপ্রেস ট্রেনটি বাহাঙ্গা বাজার স্টেশনের মেন লাইন দিয়ে যাওয়ার সময় লুপ আইনে মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ট্রেনটি পুরো গতিতে থাকার কারণে থামানো সম্ভবপর ছিল না। যে কারণে ২১ টি কামরা লাইচ্যুত এবং ৩ টি কামরা ডাউন লাইনের ওপরে চলে যায়।

অন্য ট্রেন পাস করাতে প্রতিটি স্টেশনে লুপ লাইন থাকে। বাহাঙ্গা বাজার স্টেশনে আপ ও ডাউন দুই দিকেই লুপ লাইন রয়েছে। যে কোনও একটি ট্রেনকে লুপ লাইনে দাঁড় করিয়ে অন্য ট্রেনকে স্টেশন থেকে যাওর অনুমতি দেওয়া হয়।
কিন্তু শুক্রবার যে সময় বাহাঙ্গাবাজার স্টেশনে করমণ্ডল এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়, সেই সময় ডাউন লাইন দিয়ে যাচ্ছিল ১২৮৬৪ ডাউন ষশবন্তপুর হাওড়া এক্সপ্রেস। যেটির সঙ্গে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ওই তিনটি কামরার সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। করমণ্ডল এবং হাওড়া যশবন্তপুর এক্সপ্রেসে যথাক্রমে ১২৫৭ এবং ১০৩৯ জনের রিজার্ভেশন ছিল।

বাহাঙ্হাবাজার স্টেশনে দুটি এক্সপ্রেস ট্রেনের কোনওটিরই স্টপেজ নেই। যে কারণে দুটি ট্রেনই পূর্ণ গতিতে ছিল। সেই গতিতে থাকতে থাকতে মালগাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষে করমণ্ডল এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হয়, অন্যদিকে ডাউন লাইন দিয়ে এসে যশবন্তপুর-হাওড়া এক্সপ্রেস সেখানে ধাক্কা মারে।
দুর্ঘটনাস্থলের অবস্থান খড়গপুর স্টেশন থেকে প্রায় ১৬৬ কিমি এবং ভুবনেশ্বর স্টেশন থেকে প্রায় ১৭১ কিমি। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরেই তৎপর হয়ে ওঠে রেল। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বিভিন্ন জায়গা থেকে রিলিফ ট্রেন পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে যায় এনডিআরএফ টিম। যায় সেনাবাহিনীর একটি দলও।












Click it and Unblock the Notifications