Coromandel Express Accident: ৪০ জন যাত্রীর মৃত্যু নিয়ে ধন্দ, বাড়ছে দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে সন্দেহ
করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। একের পর েক সন্দেহ জনক তথ্য উঠে আসছে। গতকাল সিবিআইয়ের টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর প্রকাশ্যে এসেছে আরও এক তথ্য। জানা গিয়েছে দুর্ঘটনায় নিহত ৪০ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে।
তাদের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। এমনকী একটি আঁচরও লাগেনি তাঁদের গায়ে। দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে প্রাথমিক ভাবে দাবি করা হয়েছে ইলেকট্রনিক সিগনালিং সিস্টেমে গলদের কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে। এর গণ্ডগোলের কারণে ট্রেন ভুল করে ট্র্যাক বদল করেছিল। তারপরেই মালগাড়ির পিছনে ধাক্কা।

মালগাড়ি আবার ছিটকে গিয়ে পড়ে যশোবন্তপুর-হাওড়া এক্সপ্রেসের গায়ে। লাইন থেকে ছিটকে পড়ে সেই ট্রেনের তিনটি কামরা। তারপরের ঘটনা সকলের জানা। এখনও পর্যন্ত ২৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে দুর্ঘটনায়। দুর্ঘটনার পরে উদ্ধারকাজে সাহায্য করা এক পুলিশ অফিসারের কথায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিনি জানিয়েছেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একাধিক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।
প্রায় ৪০ জন যাত্রী যাঁরা মারা গিয়েছেন তাঁদের শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। এমনকী কোনও আঁচরো দেখা যায়নি তাঁদের শরীরে। পুলিশকর্তার দাবি বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। ওভারহেডের তার থেকেই তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছেন বলে প্রাথমিক ভাবে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

জিআরপির থেকেও এফআইআর দায়ের করে জানানো হয়েছে, করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায় অনেক যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে। ওভার হেডের তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। পূর্ব উপকূল রেলওয়ের অবসরপ্রাপ্রত ম্যানেজার পূর্ণ চন্দ্র মিশ্র বলেছেন দুর্ঘটনার কারণে ওভার হেডের যে তার ছিঁড়ে গিয়েছে তার জেরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হতে পারে
রেলের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনার পরেই সিবিআই তদন্তের কথা বলা হয়েছিল। গতকাল সিবিআইয়ের বিশেষ টিম দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনও করেছিলেন। হঠাৎ করে রেলের তরফে সিবিআই তদন্তের কথা বলা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায় কোনও পরিকল্পনা করা হচ্ছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রেেলর এই দাবির পরেই জল্পনা শুরু হয়েছে। তাহলে কি সত্যিই কোনও অন্তর্ঘাতের ঘটনা রয়েছে তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

ওড়িশার বালেশ্বরের দুর্ঘটনাকে যে মোদী সরকার স্বাভাবিক ভাবে দেখছে না সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। সেকারণেই সিবিআই িটম পাঠানো হয়েছিল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে ২০২৪-র লোকসভা ভোটের কথা মাথায় রেখেই মোদী সরকার করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ট্রেন দুর্ঘটনার দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছে। সেকারণেই সিবিআই টিম পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।












Click it and Unblock the Notifications