Bilkis Bano Case: বিলকিস বানো-কাণ্ডে নয়া মোড়! আত্মসমপর্ণের ১৫ দিনের মধ্যেই প্যারোলে মুক্তি অপরাধীর
Bilkis Bano Gangrape Case: শীর্ষ আদালতের নির্দেশে জেলে ফিরতে হয়েছে বিলকিস বানোর অভিযুক্তদের। আত্মসমপর্ণের ১৫ দিনের মধ্যেই প্যারোলে মুক্তি পেলে প্রদীপ মোধিয়া। বিলকিস বানো মামলার ১১ দোষীর মধ্যে একজন প্রদীপ। পাঁচজনের জন্যে প্যারোলে মুক্তি পেয়েছে সে। আর এরপরেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন আগেই প্রদীপ মোধিয়ার শ্বশুরের মৃত্যু হয়। আর এরপরেই প্যারোলে মুক্তি চেয়ে গুজরাত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন প্রদীপ। আদালতের নির্দেশেই পাঁচদিনের প্যারোলে মুক্তি পেয়েছে সে। আর এরপরেই দাহোদ জেলার রন্ধিকপুরে নিজের গ্রামে পৌঁছেছে সে।

সেখানে পুলিশের তরফে কড়া নিরাপত্তা রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু প্রদীপের প্যারোলে মুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মামলায় (Bilkis Bano Gangrape Case) আত্মসমপর্ণের ১৫ দিনের মধ্যেই কীভাবে মুক্তি তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
যদিও গুজরাত হাইকোর্টের কাছে ৩০ দিনের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জানিয়েছিলেন প্রদীপ মোধিয়া। আদালত সেই আবেদনে কোনও গ্রাহ্য করেনি। শুধুমাত্র পাঁচদিনের জন্যেই প্যারোলে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই মতো আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে থাকতে পারবেন বিলকিস বানোর ঘটনায় অন্যতম এই অপরাধী।
উল্লেখ্য, স্বাধীনতা দিবসে বিলকিস বানোর (Bilkis Bano Gangrape Case) ১১ অপরাধীকে জেল থেকে রেহাই দেয় গুজরাত সরকার। এর আগে যদিও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ওই ১১ জন। মামলার শুনানিতে বিষয়টি গুজরাত সরকারের উপরেই ছাড়ে শীর্ষ আদালত।
আর এরপরেই দোষী সাব্যস্ত ১১ জনকে রেহাই দেওয়া হয়। যা নিয়ে দেশজুড়ে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়। গুজরাত নির্বাচনের আগে ইচ্ছাকৃত ভাবে ১১ জন দোষী সাব্যস্তকে ছাড়া হয়েছে বলেও প্রশ্ন ওঠে। যদিও বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন বিলকিস বানোর আইনজীবী।
বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখে আদালত। শুধু তাই নয়, ১১ জন দোষী সাব্যস্তকে জেলে আত্মসমপর্ণের নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। যদিও এজন্যে আদালতের কাছে সময় চান অপরাধীরা। আর সেই আবেদন সঙ্গে সঙ্গে খারিজ করে দেয় শীর্ষ বেঞ্চ। আর এরপরেই নির্দেশ অনুযায়ী গত ২১ জানুয়ারি জেলে ফেরে ১১ জন। আর এর মধ্যেই ফের একবার প্যারোলে মুক্তির নির্দেশ ঘিরে বিতর্ক।












Click it and Unblock the Notifications