করোনা চিকিৎসায় প্লাজমা থেরাপিতে গ্রিন সিগনাল, অনুমতি ড্রাগ কনট্রোলার জেনারেলের
অবশেষে প্লাজমা থেরাপির অনুমতি মিলল। দেশের বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণে রাশ টানতে এবার প্লাজমা থেরাপি চালানোর অনুমতি দিল সেন্ট্রাল ড্রাগ কনট্রোলার জেনারেল।
অবশেষে প্লাজমা থেরাপির অনুমতি মিলল। দেশের বেড়ে চলা করোনা সংক্রমণে রাশ টানতে এবার প্লাজমা থেরাপি চালানোর অনুমতি দিল সেন্ট্রাল ড্রাগ কনট্রোলার জেনারেল। আইসিএমআরকে নির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনেই ক্লিনিকাল ট্রায়ালের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কোন কোন প্রতিষ্ঠান এই প্লাজমা থেরাপি করতে চায় তার তালিকা দিতে বলা হয়েছে আইসিএমআরকে।

করোনা মোকাবিলায় প্লাজমা থেরাপি
করোনা মোকাবিলায় প্লাজমা থেরাপির কথা অনেক দিন থেকেই বলছিলেন চিকিৎসকরা। এতে করোনা আক্রান্ত রোগী সেরে ওঠার পর তাঁর রক্তের প্লাজমা ব্যবহার করে আরেক আক্রান্ত রোগীর শরীরে প্রয়োগ করা হয়। এতে করোনা সংক্রমণের অ্যান্টিবডি তৈরি করা যায় বলে দাবি চিকিৎসকদের। মার্কিন চিকিৎসকরা এই পদ্ধতি প্রয়োগ করতে শুরু করেছেন। এবার ভারতেও সেই প্রক্রিয়া চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হল।

অনুমোদন দিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল
কিন্তু সার্বিকভাবে প্লাজমা থেরাপির ব্যবহার করার অনুমদন পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে করোনা সংক্রমণের হার এবং জনস্বার্যে সেন্ট্রাল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল আইসিএমআরকে প্লাজমা থেরাপির ক্লিনিকাল প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছে। ১৩ এপ্রিল এই নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক বসেছিল। তারপরেই এই অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনেই আইএমসিআর এই প্লাজমা থেরাপি করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। ২০১৯ সালের ক্লিনিকাল ট্রায়ার রুল মেনেই করতে হবে প্লাজমা থেরাপি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণ বাড়ছে
গতকাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে করোনা সংক্রমণের হার নিয়ে ভাল খবর শোনানো হয়। তাতে বলা হয়েছিল লকডাউনের কারণে দ্বিগুণ হারে করোনা সংক্রমণের হর কমতে শুরু করেছে। অর্থাৎ আগে ৩ দিনে যে পরিমাণ সংক্রমণ হত এখন সেই সংক্রমণ হতে সময় নিচ্ছে ৬ দিন। কিন্তু তার পরেও করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। কড়া হাতে দেশের সর্বত্র লকডাউন রক্ষা করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications