মেঘালয়ের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ পিএ সাংমা পুত্র কনরাডের
মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির কনরাড সাংমা। রাজ্যের ১২ তম মুখ্যমন্ত্রী হলেন তিনি। আগেই ৫ দলের জোট সরকারের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন কনরাড।
মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির কনরাড সাংমা। রাজ্যের ১২ তম মুখ্যমন্ত্রী হলেন তিনি। আগেই ৫ দলের জোট সরকারের নেতা নির্বাচিত হন লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ পিএ সাংমার পুত্র কনরাড সাংমা।

কংগ্রেস নয়, মেঘালয়ে ক্ষমতায় ন্যাশনাল পিপলস পার্টির নেতৃত্বাধীন পাঁচ দলের জোট সরকার। জোটে এনপিপি ছাড়াও রয়েছে ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক পার্টি, পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট, হিল স্টেট পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং ২ আসন বিশিষ্ট বিজেপি। রাজ্যে সব থেকে বেশি আসন পেলেও, ক্ষমতা দখলের দৌড়ে পিছিয়ে পড়ে কংগ্রেস।
৬০ টি আসনের মধ্যে মেঘালয়ে নির্বাচন হয়েছিল ৫৯ টি আসনে। কংগ্রেস পেয়েছিল ২১ আসন। যা নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা থেকে ১০ টি আসন কম। কংগ্রেসের পিছনে রয়েছে এনপিপি। তারা পেয়েছে ১৯ টি আসন। এনপিপিকে সমর্থন করে ৬ আসনে জেতা ইউডিপি, ৪ আসন পাওয়া পিডিএফ, ২ আসন পাওয়া এইচএসপিডিপি, ১ নির্দল প্রার্থী এবং দুই আসন পাওয়া বিজেপি।
মেঘালয়ের রাজভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। ছিলেন অসমের অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এবং অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনেওয়াল।
বছর ৪০-এর কনরাড সাংমা লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ পিএ সাংমার ছোট ছেলে। ২০১৬-তে পিএ সাংমার মৃত্যুর পর এনপিপির দায়িত্ব পান কনরাড। মেঘালয়ের তুরা সংসদীয় আসন থেকে এই মুহূর্তে নির্বাচিত সাংসদ কনরাড।
১৯৯০ সালে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন কনরাড। তৎকালীন ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির নেতা পিএ সাংমার প্রচারের দায়িত্বে ছিলেন কনরাড।
২০০৪ সালে এনসিপির প্রার্থী হিসেবে প্রথমবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র ১৮২ ভোটে পরাজিত হন। ২০০৮ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নিজের ভাই জেমস সাংমার সঙ্গেই নির্বাচিত হয়েছিলেন কনরাড। দুজনেই সেসময় এনসিপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ২০০৮ সালে মেঘালয়ের নবীনতম অর্থমন্ত্রী হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। ২০০৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত মেঘালয় বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications