কিষাণ বিজয় দিবস: গোটা দেশে মিছিল করে কৃষকদের জন্য উৎসব উদযাপনের ডাক কংগ্রেসের
কিষাণ বিজয় দিবস: গোটা দেশে মিছিল করে কৃষকদের জন্য উৎসব উদযাপনের ডাক কংগ্রেসের
শেষ পর্যন্ত কৃষকদের কাছে মাথা নত করতেই হল মোদী সরকারকে। কৃষকদের জয়কে গোটা দেশে উদযাপন করতে চায় কংগ্রেস। কৃষি আইন প্রত্যাহারের আনন্দে গোটা দেশে কিষাণ বিজয় দিবস উদযাপন করবে কংগ্রেস। ২০ নভেম্বর গোটা দেশে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মিটিং, মিছিল করে কিষাণ বিজয় দিবস উদযাপন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কেসি বেনুগোপাল জানিয়েছেন, ২০ নভেম্বর গোটা দেশে মার্চ করবে কংগ্রেস নেতা কর্মীরা। এবং এই মিটিং মিছিলের মধ্য দিয়ে কৃষকদের কুর্নিশ জানাবেন তাঁরা।

অসাধ্য সাধন করে দেখিয়েছেন দেশের কৃষকরা। তাঁদের আন্দোলনের কাছে মাথা নত করতেই হয়েছে মোদী সরকারকে। গতকাল গুরুনানক জয়ন্তীতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদী সরকার। কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। তারপরেই গোটা দেশে এক প্রকার উল্লাস শুরু হয়ে গিয়েছিল। দিল্লি সীমান্তে আন্দোলনরত কৃষকরা উল্লাসে ফেটে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঘোষণার পর সাময়িক ভাবে আন্দোলনে ইতি টানলেও পুরোপুরি আন্দোলন প্রত্যাহার করেননি তাঁরা। সূত্রের খবর রবিবার এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন কৃষকনেতারা।
কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেও কাগজে কলমে এখনও সেটা হয়নি। কাজেই শেষ পর্যন্ত সেটা যতক্ষণ না হচ্ছে ততক্ষণ নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না কৃষকর নেতারা। শীতকালীন অধিবেশনে আইন প্রত্যাহার করে নেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের কারণে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় জানিয়েছেন ৫ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের কারণেই মোদী সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০২২ সালেই পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মণিপুর, গোয়ায় ভোট। এর মধ্যে পাঞ্জাব এবং উত্তর প্রদেশ হচ্ছে কৃষি প্রধান রাজ্য। এবং এই দুই রাজ্যের কৃষকরা মূলক আন্দোলন শুরু করেছিল। কয়েক দিন আগেই লখিমপুর খেরির ঘটনা অস্বস্তিতে ফেলেছিল বিজেপিকে। তারপরে আবার পাঞ্জাবেও চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছিল কৃষকরা। ২৮ নভেম্বরের মধ্যে কৃষি আইন প্রত্যাহার না হলে সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছিেলন কৃষক নেতারা। এদিকে আবার অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গেও হাত মেলাতে পারছিলেন না তাঁরা এই কৃষি আইনের কারণে। শেষ পর্যন্ত তাই কৃষি আইন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর দিল বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications