গান্ধী মুক্ত নেতৃত্বেও কী ভোট বাড়বে কংগ্রেসের? গুজরাত বিধানসভা ভোট নিয়ে এবিপি সি-ভোটার সমীক্ষা কী বলছে?
গান্ধী মুক্ত নেতৃত্বেও কী ভোট বাড়বে কংগ্রেসের? গুজরাত বিধানসভা ভোট নিয়ে এবিপি সি-ভোটার সমীক্ষা কী বলছে?
গান্ধী মুক্ত নেতৃত্বে কংগ্রেসের ভোট ব্যাঙ্কে খুব একটা প্রভাব পড়বে না। এবিপি সিভোটার সমীক্ষা অন্তত সেদিকেই ইঙ্গিত করেছে। তাতে দাবি করা হয়েছে গুজরাতের বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের ভোট ২০১৭-র থেকেও কমবে। এটা যে একেবারেই শুভ ইঙ্গিত নয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষ করে ২০২৪-র লোকসভা ভোটের আগে এটা যে একেবারেই সেটা শুভ ইঙ্গিত নয় তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

গুজরাতে আসন কমবে কংগ্রেসের
গুজরাতে ফের ক্ষমতা ধরে রাখবে বিজেপি। কিন্ত কংগ্রেসের পক্ষে একেবারে সুখবর শোনায়নি এবিপি সি ভোটার। গুজরাতে বিরোধী আসনে বসতে চলেছে আম আদমি পার্টি। কংগ্রেসের ভোট কমবে বলেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে এবিপি সি ভোটার সমীক্ষায়। তারা জানিয়েছে ২০১৭ সালের থেকেও ভোট কমবে কংগ্রেসের। ১৮২ আসনের গুজরাত বিধানসভায় বিজেপির রয়েছে ৯২টি আসন। আর কংগ্রেসের রয়েছে ৭৭টি আসন। অর্থাৎ প্রধান বিরোধী দলের আসনে রয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু সেটা অনেকটাই কমবে ২০২২-র বিধানসভা ভোটে।

কত আসন হাতে থাকবে কংগ্রেসের
গত বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে কড়া টক্কর দিয়েছিল কংগ্রেস। পতিদার নেতা হার্দিক প্যাটেলের জোরে অনেক বেশি আসন দখলে রাখতে পেরেছিল হাত শিবির। ৭৭টি আসন রয়েছে কংগ্রেসের। কিন্তু এবিপি সি ভোটার সমীক্ষা বলছে এবার একেবারেই ভাল অবস্থায় নেই কংগ্রেস। ২০২২-র বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস ৩৪ থেকে ৪৫টি আসন পাবে। এতে সন্তুষ্ট থাকতে হবে হাত শিবিরকে। ২০২৪-র লোকসভা ভোটের আগে তা একেবারে ভাল ইঙ্গিত নয়।

গান্ধীমুক্ত নেতৃত্ব
কংগ্রেসের অন্দরে এই নিয়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।এবার কংগ্রেসের সভাপতি পদের নির্বাচন নিয়েও চলছে জোর চাপান উতর। গান্ধী পরিবারের কেউ সভাপতি পদে প্রার্থী হচ্ছেন। শশী থারুর বনাম খাড়গে লড়াই হবে। কংগ্রেসের হাইকমান্ড মনোনিত প্রার্থী মল্লিকার্জুন খাড়গে। অন্যদকে প্রার্থী হয়েছেন শশী থারুর। এক নেতা গান্ধী পরিবারের বিশ্বস্ত এবং রক্ষণশীল। আরেক দিকে রয়েছেন কংগ্রেসের পরবর্তনশীল নেতা। দুই নেতার মুখোমুখী দ্বন্দ্বে সরগরম কংগ্রেসে।

প্রধান বিরোধী আপ
গুজরাতে এবার নিজেদের সংগঠন বেশ শক্তশালী করে ফেলেছে আপ। এবিপি সিভোটার সমীক্ষা যা বলছে তাতে গুজরাতে এবার বিজেপিকে কড়া টক্কর দেবে আম আদমি পার্টি। অরবিন্দ কেজরিওয়াল আগে ঘোষণা করেছিলেন যে তারা গুজরাতে সরকার গড়বেন। সেকারণেই ভয় পেয়েছে বিজেপি। এবং দিল্লিতে আপ নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক সিবিআই হানা দিয়ে চলেছে। মোদী সরকারের মদতেই হচ্ছে সিবিআই হানা।












Click it and Unblock the Notifications