NCP-কে ছাড়াই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে লড়াই! প্ল্যান বি পরিকল্পনা কংগ্রেস ও উদ্ধব- সেনার
এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার বৈঠক নিয়ে দিশেহারা রাজ্যের মহাবিকাশ আঘাধি জোট। শরদ পাওয়ার যদি শেষ পর্যন্ত নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন, তার জন্য আগে থেকেই মহারাষ্ট্রে প্ল্যান বি তৈরি রাখছে কংগ্রেস ও উদ্ধব ঠাকরেপন্থী শিবসেনা গোষ্ঠী।
শরদ পাওয়ার অজিত পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠককে পারিবারিক বলে হাল্কা করার চেষ্টা করলেও, বারে বারে পাওয়ারদের মধ্যে বৈঠক নিয়ে মহাবিকাশ আঘাধি জোটে প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। বারে বারে বৈঠক নিয়ে কংগ্রেস ও উদ্ধবপন্থী সেনা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

ইউবিটি সভাপতি উদ্ধব ঠাকরে এমভিএ এবং শরদ পাওয়ার কর্মকাণ্ড নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস সভাপতি নানা পাটোলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলার পরে ইউবিটি সভাপতি ঠাকরে এবং দলের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউতের সঙ্গে কথা বলেছেন।
মহারাষ্ট্রের এক প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা বলেছেন, এমভইএ মহারাষ্ট্রে একটি শক্তিশালী শক্তি। তিনি আরও বলেছেন, বিজেপিকে মাকাবিলা করতে তাদের ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী কাজ করতে হবে। ২০২৪ সালের নির্বাচনের জন্য তাদের কৌশল তৈরি রাখতে হবে বলেও জানিয়েছেন ওই নেতা।
কংগ্রেস ও উদ্ধবপন্থী শিবসেনা শরদ পাওয়ারকে সঙ্গে রেখে জোট অটুট রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে। কিন্তু বারে বারে পাওয়ারদের বৈঠক বিরোধীদের সুনাম নষ্ট করার পাশাপাশি কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে বলেও অভিযোগ কংগ্রেস ও উদ্ধবপন্থী শিবসেনার।
একদিকে যেমন পাওয়ারকে সঙ্গে রেখে পরিকল্পনা করা হচ্ছে, আবার পাওয়ারকে ছাড়াও তাদের কৌশল প্রস্তুত করা হচ্ছে। রাজ্য কংগ্রেসের তরফে মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করা হচ্ছে দিল্লির কংগ্রেস নেতৃত্বকে। ওই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা বলেছেন, কৌশল তৈরি রাখা মানে জোট ভাঙা নয়। যে কোনও পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকার কথা তারা বলছেন, জানিয়েছেন ওই কংগ্রেস নেতা।
কংগ্রেসের তরফে ইতিমধ্যেই তাদের পর্যবেক্ষকদের মহারাষ্ট্রের ৪৮ টি লোকসভা কেন্দ্র ভ্রমণ করতে এহং বাস্তব পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করতে বলেছে। পর্যবেক্ষকদের রিপোর্ট নিয়ে ১৬ অগাস্ট মুম্বইয়ে দলের কোর কমিটির বৈঠকে আলোচনা করা হবে। অন্যদিকে উদ্ধবপন্থী শিবসেনাও নির্বাচনী পরিকল্পনা নিয়ে তৈরি।
পটনা, বেঙ্গালুরুর পরে মুম্বইতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক বসতে চলেছে। সেই বৈঠকের জন্য হওয়া প্রস্তুতি সভার নেতৃত্বে ছিল কংগ্রেস ও উদ্ধবপন্থী সেনা শিবির। সেখানে এনসিপির কোনও সিনিয়র নিতে যোগদান করেননি।
মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছে, তাদের দলের হাইকমান্ড রাজ্যের পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখছে। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতির প্রশ্ন তাঁরা আত্মীয় হলে একে অপরের বাড়িতে যেতে পারেন। কিন্তু বারে বারে কেন গোপনে অন্য কোথাও দেখা হবে।
এদিকে তাঁকে ঘিরে যেসব প্রশ্ন উঠকে তা বিলক্ষণ জানেন পোড় খাওয়া রাজনৈতিক শরদ পাওয়ার। তিনি বারামতিতে বলেছেন বিজেপির সঙ্গে হাত মেলানোর কোনও পরিকল্পনাই তাঁর নেই। বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি থাকাও উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications