‘ভারত জোড়ো যাত্রা’র পর নয়া কর্মসূচি কংগ্রেসের, ‘হাত সে হাত জোড়ো’তে লক্ষ্য কামব্যাক
পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কামব্যাকের মঞ্চ করতে চাইছে কংগ্রেস। সম্প্রতি ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ করেছেন রাহুল গান্ধী। এবার শুরু ‘হাত সে হাত জোড়ো’।
রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রার পর রাজ্যে রাজ্যে কংগ্রেসে জাগরণ শুরু হয়েছে। বাংলাও তার অন্যথা হচ্ছে না। কেন বাংলার মানুষ কংগ্রেসবিমুখ হয়ে উঠছেন, তা জানতে নতুন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে প্রদেশের তরফে। বাংলায় শুরু হচ্ছে 'হাত সে হাত জোড়ো' কর্মসূচি।

দুয়ারে দুয়ারে যাবে কংগ্রেস
এই কর্মসূচিতে কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য জনসংযোগ। মানববন্ধন তৈরি করতে দুয়ারে দুয়ারে যাবে কংগ্রেস। মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাঁদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করা হবে। তাঁরা কেন হাত ছেড়ে দূরে চলে গেলেন জিজ্ঞাসা করা হবে। আবার যাতে হাতের সঙ্গে তাঁদের হাত জোড়া যায়, সেই প্রস্তাব দেওয়া হবে।

কংগ্রেসের নেতা বা কর্মীরা যাবেন বাড়ি বাড়ি
প্রদেশ কংগ্রেসে তরফে দাবি করা হয়েছে, কংগ্রেসের নেতা বা কর্মীরা যেসব বাড়িতে যাবেন, তাঁদেরকে বাড়ির কর্তার নামের তালিকা তৈরি করতে হবে। সেইসঙ্গে পরিচয়পত্র ও ফোন নম্বরও উল্লেখ করতে হবে। সেইসঙ্গে কোন নেতা কোন কোন পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাঁর নামও উল্লেখ করতে হবে।

কংগ্রেসকে প্রাসঙ্গিক করে তুলতে পরিকল্পনা
বাংলায় দলের সংগঠন তলানিতে পৌঁছে গিয়েছে। আবার কংগ্রেসকে প্রাসঙ্গিক করে তুলতে হবে সে জন্য ব্লক ও অঞ্চল কংগ্রেসকে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে তালিকা আকারে পেশ করতে বলা হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেসের কাছে। প্রদেশ কংগ্রেস যাতে ফের প্রতিটি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে, তার জন্যই এই পরিকল্পনা।

ভারত জোড়ো যাত্রার অংশ সাগর থেকে পাহাড় যাত্রা
আর তিন মাসের মধ্যেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে। সেই পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কামব্যাকের মঞ্চ করতে চাইছে কংগ্রেস। সম্প্রতি ভারত জোড়ো যাত্রা করেছেন রাহুল গান্ধী। সেই ভারত জোড়ো যাত্রার অংশ হিসেবে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী সাগর থেকে পাহাড় যাত্রা করেছেন।

কংগ্রেস কামব্যাকের লক্ষ্য স্থির করতে চাইছে
এবার রাজ্যে 'হাত সে হাত জোড়ো' নামে নয়া কর্মসূচিতে নামছে প্রদেশ কংগ্রেস। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন ও পরের বছরের লোকসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেস কামব্যাকের লক্ষ্য স্থির করতে চাইছে। 'ভারত জোড়ো যাত্রা'য় অংশ নেওয়া 'ভারতযাত্রী'দের নতুন এই কর্মসূচিতে শামিল করা হবে। প্রতি রা্জযেই এই কর্মসূচি পালন করা হবে। বাংলায় এই কর্মসূচির পর্যবেক্ষক করা হয়েছে কাশ্মীরের প্রাক্তন বিধায়ক গোলাম মহম্মদ মিরকে।

কর্মসূচিকে সফল করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
এই হাত সে হাত জোড়ো কর্মসূচি পালনে প্রাথমিক বৈঠক করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব। এই বৈঠকে ছিলেন দেবপ্রসাদ রায়, নেপাল মাহাতো, অসিত মিত্র, শুভঙ্কর সরকার, মায়া ঘোষ প্রমুখ। এই বৈঠকে ছিলেন 'ভারতযাত্রী' পূজা রায়চৌধুরীও। ব্লকস্তর, অঞ্চলস্তর পর্যন্ত এই কর্মসূচিকে সফল করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রদেশের কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে,
প্রদেশের কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, রাহুল গান্ধী গোটা ভারতকে এক সূত্রে গাঁথকে ভারত জোড়ো যাত্রা করেছিলেন। এবার রাহুলজির সেই বার্তা পৌঁছে দিতে কংগ্রেস রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েছে। আমার এই হাত সে হাস জোড়ো কর্মসূচিতে মানুষের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক তৈরি করতে চাই। মানুষকে পাশে চাই, মানুষের পাশে থাকতে চাই।












Click it and Unblock the Notifications