সতর্ক করলেও ব্যবস্থা নেয়নি! সব থেকে বড় জালিয়াতি এবিজি শিপইয়ার্ড Scam নিয়ে মোদী সরকারকে নিশানা কংগ্রেসের
এবিজি শিপইয়ার্ড (abg shipyard) জালিয়াতি নিয়ে মোদী (narendra modi) সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলল কংগ্রেস (Congress)। এদিন সংবাদিক বৈঠক করে তারা দাবি করেছে, সরকারকে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছিল তাঁরা। কংগ্রেসের আরও অভিযোগ ব
এবিজি শিপইয়ার্ড (abg shipyard) জালিয়াতি নিয়ে মোদী (narendra modi) সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলল কংগ্রেস (Congress)। এদিন সংবাদিক বৈঠক করে তারা দাবি করেছে, সরকারকে বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করেছিল তাঁরা। কংগ্রেসের আরও অভিযোগ ব্যবস্থা নিয়ে সরকার দেরি করেছে। প্রসঙ্গত সিবিআই (cbi) দেশ জুড়ে এবিজি শিপইয়ার্ডের বিভিন্ন অফিসে তল্লাশি চালিয়েছে। সংস্থার প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর ঋষি কমলেশ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে স্টেট ব্যাঙ্কের নেতৃত্বাধীন ব্যাঙ্কগুলিকে (bank) ২২,৮৪২ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রতারণা এখনও পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে সব থেকে বেশি।

নীরব মোদীদের তালিকায় এবার ঋষি আগরওয়ালও
বর্তমান সময়ে দেশের সব ব্যাঙ্ক প্রতারণার কথা বলতে গিয়ে কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা বলেছেন, এবার ঋণ খেলাপিদের তালিকায় নীরব মোদী, মেহুল চোকসি, ললিল মোদী, বিজয় মালিয়া, যতীন মেহতা, চেতন সন্দেসারার সঙ্গে যুক্ত হল ঋষি আগরওয়ালের নামও।
এদিকে শনিবার সারা দেশের ১৩ টি জায়গায় এবিজি শিপইয়ার্ডের অফিসে তল্লাশি চালায় সিবিআই। এর মধ্যে রয়েছে সুরাত, ভারুচ, মুম্বই, পুনে। প্রতারণা সংক্রান্ত নথি উদ্ধারে এই তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

কেন ব্যবস্থা নিতে দেরি প্রশ্ন কংগ্রেসের
সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রেসের প্রশ্ন এবিজি শিপইয়ার্ডের এই প্রতারণা ২০১৮ সালের। কংগ্রেস মুখপাত্রের প্রশ্ন কেন সরকার এবিজি শিপইয়ার্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে পাঁচ বছর সময় নিল? কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করে বলা হয়েছে, ২০০৭ সালে এবিজি শিপইয়ার্ডকে তৎকালীন গুজরাত সরকার ১,২১,০০০ স্কোয়ার মিটার জমি দিয়েছিলেন। সেই সময় গুজরাত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বর্তমানের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছথে, গত সাড়ে সাত বছরে এনিয়ে ব্যাঙ্ক প্রতারণার পরিমাণ দাঁড়াল প্রায় ৫ লক্ষ ৩৫ হাজার কোটি টাকার মতো। যা সাধারণ মানুষের টাকা, বলছে কংগ্রেস।

এসবিআই প্রথম অভিযোগ দায়ের করে ২০১৯-এ
স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এব্যাপারে প্রথম অভিযোগ দায়ের করে ২০১৯-এর ৮ নভেম্বর। জানা গিয়েছে সিবিআই-এর তরফে বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়। সিবিআইকে যে তথ্য দেওয়া হয়েছিল সেখানে প্রতারণার সময় কিংবা উদ্দেশ্য সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য ছিল না। এরপর এসবিআই ফের ২০২০-র অগাস্টে নতুন করে অভিযোগ দায়ের করে। সব বিষয়ে দেখার পরে সিবিআই-এর তরফে ৭ ফেব্রুয়ারি এফআইআর দায়ের করা হয়।

এবিজি গ্রুপের সহযোগী সংস্থা এবিজি শিপইয়ার্ড
এবিজি শিপইয়ার্ড হল এবিজি গ্রুপের সহযোগী সংস্থা। যারা জাহাজ তৈরি থেকে, সারানো সবকিছু করে থাকে। এই সংখ্যা ২৮ টি ব্যাঙ্কের কাছ থেকে ২৪৬৮.৫১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে সংস্থার কর্তার টাকা অন্যদিকে সরিয়ে ফেলে বলে অভিযোগ। যার জেরে তদন্তকারী সংস্থার তরফে কম্পানির প্রোমোটরদের বিরুদ্ধে তহবিল অপসারণ, অপব্যবহার এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই লোক অ্যাকাউন্টটিকে ২০২৬ সালে এনপিএ অর্থাৎ অনুপাদক সম্পদ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল ব্যাঙ্কগুলির তরফে। আর ২০১৯ সালে তা জালিয়াতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications