রাহুল গান্ধীর বিমান অবতরণে 'না'! 'উদ্বিগ্ন' প্রধানমন্ত্রী মোদীকে নিশানা কংগ্রেসের
বিজেপি সরকার ভয় পাওয়ায় রাহুল গান্ধীর যাতায়াতের ওপরেও বাধা তৈরি করা হচ্ছে। এমনটাই অভিযোগ কংগ্রেসের। যদিও বিজেপির তরফে কংগ্রেসের অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি সাধারণ একজন কংগ্রেস সাংসদ। অন্তত সাক্ষাৎকারে তেমনটাই বলেছেন রাহুল গান্ধী। আর তাঁকে নিয়েই নাকি যত ভয় বিজেপির। সোমবার রাহুল গান্ধীর বিমানকে বারাণসীর লাল বাহাদুর শাস্ত্রী বিমানবন্দরে নামার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস। বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস সরাসরি প্রধানমন্ত্রী মোদীকেই নিশানা করেছে।

অজুহাত রাষ্ট্রপতির সফর
বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করে বলা হয়েছে, সরকারের তরফে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ওপরে বিমান নামতে না দেওয়ার চাপ তৈরি করা হয়েছে। এব্যাপারে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সফরকে অজুহাত হিসেবে খাড়া করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে কংগ্রেসের তরফে। কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবেই রাহুল গান্ধীর বিমানকে সোমবার বারাণসী বিমানবন্দরে নামার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

রাহুলকে ভয় পেয়েছে বিজেপি সরকার
কংগ্রেসের দাবি রাহুল গান্ধীকে ভয় পেয়েছে বিজেপি সরকার। আর সেই কারণেই বিমানটি বারাণসীতে নামার অনুমতি দেওয়া হয়নি। কংগ্রেস বলেছে, রাহুল গান্ধীর বারাণসীতে যাওয়ার পরে সেখান থেকে প্রয়াগরাজ যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু চাপ তৈরি করায় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিমান নামার অনুমতি দেয়নি। কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছে, সেখানে বেশি বিমান চলাচলের কারণে জট তৈরি হওয়ার অবস্থা, সেই কারণে রাহুল গান্ধীর বিমান নামার অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না।
প্রসঙ্গত সোমবার রাতে রাহুল গান্ধীর বারাণসী পৌঁছনোর এবং মঙ্গলবার তাঁর কাশী-বিশ্বনাথ মন্দির দর্শন করার কথা ছিল।

'উদ্বিগ্ন' প্রধানমন্ত্রী
কংগ্রেসের তরফে দাবি, রাহুল গান্ধীর কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর সফলভাবে ভারত জোড়ো যাত্রা করেছেন। সেই কারণেই দেশের প্রধানমন্ত্রী উদ্বিগ্ন। সেই কারণেই রাহুল গান্ধীর প্রতি এই আচরণ। প্রসঙ্গত সোমবার রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী মোদীকে নিশানা করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সংসদে তাঁকে অপমান করেছেন। কিন্তু তাঁর কথা সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। অথচ তাঁর অধিকাংশ বক্তৃতা সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

বারাণসী সফরে রাষ্ট্রপতি
সোমবার রাষ্ট্রপতি বারাণসী সফর শুরু করেছেন। শহরে প্রথমবার তাঁর এই সফর। তিনি বাবাপুর বিমানবন্দরে নেমে শহরে প্রবেশ করেন। সোমবার সন্ধেয় কালভৈরব মন্দিরে প্রার্থনা করার পরে কাশী-বিশ্বনাথ মন্দির পরিগর্শন করেন তিনি। রাষ্ট্রপতি সন্ধেয় দশাশ্বমেধ ঘাটে গঙ্গা আরতিতেও যোগ দেন।
রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় শহর জুড়ে বন্দোবস্ত ছিল ব্যাপক। রাস্তায় ৪৫০ জন কনস্টেবল, হেড কনস্টেবল ছাড়াও ৮০ জন সাবইনস্পেক্টর এবং ইনস্পেক্টর, ২৬ জন ডিএসপি এবং ১৬ জন এসপির পুরো বিষয়টির ওপরে নজরদারি করেন। দশাশ্বমেধ ঘাটে আরতির সময় জল পুলিশ ছাড়াও নৌবাহিনী, পিএসি, এনডিআরএফ কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছিল। ছিল ফায়ার ব্রিগেড, বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড এবং ডগ স্কোয়াডও।
প্রসঙ্গক্রমে বলে রাখা ভাল, বিজেপির তরফে কংগ্রেসের তোলা অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications