ললিত মোদী আর নীরব মোদীকে দেশে ফেরাতে পারলে প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানানো হবে, বার্তা কংগ্রেসের
তিন দেশের সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এই নিয়ে কংগ্রেস তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে। কংগ্রেস কটাক্ষ করে বলেছে, নীরব মোদী আর ললিত মোদীকে দেশে ফেরাতে পারলে বিমানবন্দরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অভ্যর্থনা জানাবে তারা।
কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা বলেছেন, কংগ্রেস বিমানবন্দরে গিয়ে মালা পরিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে স্বাগত জানিয়ে আসবে যদি ঋণখেলাপি নিরব মোদী এবং ললিত মোদীকে দেখে ফেরাতে পারে বিজেপি সরকার। জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং পাপুয়া নিউগিনি সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

অস্ট্রেলিয়া প্রধানমন্ত্রী মোদীকে নিয়ে বাড়তি উৎসাহ দেখা গিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন অস্ট্রেিলয়ার প্রধানমন্ত্রী। সেইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়া থেকে তিনি কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। যাঁরা মন্দিরে ভাঙচুর চালাচ্ছে তাঁদের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া সরকার যাতে কড়া পদক্ষেপ করে তার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
মোদী আসার পরেই অস্ট্রেলিয়ার কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় ভারতের ৫ রাজ্যের পড়ুয়াদের ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে তীব্র আক্রমণ করেছে কংগ্রেস। তাহলেই বোঝা যাচ্ছে কতটা সুস্পর্ক বজায় রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার।

দেশে একদিকে কুস্তীগিররা প্রতিবাদ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের সমস্যা সমাধান না করে প্রধানমন্ত্রী তিন দেশের সফরে বেরিয়ে গিয়েছেন বলে কটাক্ষ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে যার দূরত্ব ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার আবার অন্যান্য মন্ত্রীদের বাসভবনও ৫-৬ কিলোমিটারের মধ্যে। সেখানে তাঁরা আসতে পারছেন না। একবার আন্দোলকারীদের অভিযোগ শুনতে আসতে পারছেন না কেউ। এমনই অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।
যদিও মোদী সরকার নিরব মোদীকে দেশে ফিরিয়ে আনার সবরকম উদ্যোগ নিয়েছে। ব্রিটেনের আদালত ইতিমধ্যেই নিরব মোদীকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার ছাড় পত্র দিয়েছে। তবে কবে নিরব মোদীকে ভারত হাতে পাবে সেটাই এখন দেখার। ব্রিটেনে জেলে রয়েছেন নিরব মোদী। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক থেকে ১২০০০ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি করে পালিয়ে গিয়েছিলেন গয়না ব্যবসায়ী িনরব মোদী এবং মেহুল চোকসি।
এখনও নীরব মোদীদের ফেরাতে পারেনি মোদী সরকার। ব্রিটেনের জেলে বন্দি থাকলেও দেশে ফেরাতে পারেননি তিনি। অন্যদিকে মেহুল চোকসিকে এখনও হাতের নাগালেই পায়নি মোদী সরকার। দিব্য অন্য দেশে গিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন তিনি। কয়েকশো কোটি টাকা ঋণ খেলাপি করে কীভাবে বিদেশে পালিয়ে গেল তা নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেস।
আবার আদানিদের বিরুদ্ধেও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। মোদী ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি আদানি গোষ্ঠী দুর্নীতি করে শেয়ারবাজারে নিজেদের কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়িয়েছিল বলে প্রকাশিত হয়েছে হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টে। এই নিয়ে সংসদে তুমুল বিরোধিতা করে কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিবৃতি দাবি করে কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications