বৈজ্ঞানিক সরঞ্জামে জিএসটি বৃদ্ধি! মোদী সরকারকে নিশানা কংগ্রেস নেতা চিদাম্বরমের
বৈজ্ঞানিক সরঞ্জামে জিএসটি বৃদ্ধি! মোদী সরকারকে নিশানা কংগ্রেস নেতা চিদাম্বরমের
বৈজ্ঞানিক সরঞ্জামের (scientific equipment) ওপরে জিএসটি (gst) বৃদ্ধি নিয়ে মোদী সরকারের তীব্র সমালোচনা করলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম (P Chidambaram)। প্রসঙ্গত বৈজ্ঞানিক সরঞ্জামের ওপরে জিএসটি ১২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে।
|
চিদাম্বরমের কটাক্ষ
বৈজ্ঞানিক সরঞ্জামের ওপরে জিএসটি বৃদ্ধি নিয়ে টুইটে কটাক্ষ করে চিদাম্বরম বলেছেন, এটা মনে হচ্ছে, আকাশের দিকে তাকিয়ে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান আহোরণ করা যায়। অনেকটা আমাদের ফেলে আসা দিনগুলিকে চিন্তা করার মতো।
বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা কেন্দ্রগুলি যেসব বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে, তার ওপরে জিএসটি ১২ থেকে বাড়িয়ে ১৬ শতাংশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বরাদ্দ কমিয়েছে সরকার
প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গত কেন্দ্রীয় বাদেটে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ কমানোর কথাও তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, বাজেট বরাদ্দ ৩.৯ শতাংশ কমানো নিষ্ঠুর কাজ। তিনি বলেছেন, সরকার সম্ভবত বিশ্বাস করে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান আরোহন করা যায় আকাশের দিকে তাকিয়ে। তিনি আরও কটাক্ষ করে বলেছেন বিষয়টি আমাদের অতীতকে নতুন করে কল্পনা করার মতোই হয়ে উঠেছে।

জিএসটি বৃদ্ধি নিয়ে কংগ্রেস
এবার বিভিন্ন জিনিসের সঙ্গে প্যাকেট জাত বেশ কয়েকটি খাবারের জিএসটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আটা, দই, ডাল, চাল, ময়দা, সুজি, লস্যি মতো প্যাকেটজাত জিনিসের ওপরে ৫ শতাংশ করে জিএসটি লাগু করা হয়েছে। তবে এই সব পণ্য খোলা বিক্রির ক্ষেত্রে জিএসটি লাগবে না। এই বৃদ্ধি নিয়ে সরব হয়েছে কংগ্রেস। তারা বলছে, গরিবদের কি প্যাকেটজাত পণ্য কেনার ইচ্ছা করা উচিত নয়? জিএসটি বৃদ্ধি নিয়ে আলোচনার দাবি তোলায় পণ্ড হয়েছে সংসদের অধিবেশন।

সরকারের সাফাই
বিরোধীদের তোপের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেছেন, বিরোধীরা ভুল ধারণা ছড়াচ্ছে। তিনি যুক্তি দিয়েছেন, কর ফাঁকি রুখতে শুধুমাত্র প্যাকেটজাত খাদ্যদ্রব্যে ৫ শতাংশ জিএসটি চাপানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বলা হয়েছে, বিরোধীরা দায় কেন্দ্রের ওপরে চাপিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ, ছত্তিশগড়, রাজস্থান, পঞ্জাব, তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কেরলের মতো অবিজেপি রাজ্যগুলির প্রতিনিধি কিংবা অর্থমন্ত্রীরা এব্যাপারে সায় দিয়েছেন। সবার ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিরোধীরা জিএসটি নিয়ে সংসদে আলোচনা চাইলেও সরকার তাতে নারাজ। অন্যদিকে সরকার কেন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। তারা বলছে, বিরোধী আসনে থাকার সময় এই মোদীই মূল্যবৃদ্ধিকে হাতিয়ার করেছিলেন। আর এখন
সেই আলোচনা যাতে না হয়, আর কটূ শব্দ শুনতে যাতে না হয়, তার জন্য বিরোধীদের চুপ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে












Click it and Unblock the Notifications