মূল ফোকাস কোথায়? কংগ্রেসের কাছে সভাপতি নির্বাচনের গুরুত্ব কতটা, বোঝালেন জয়রাম রমেশ
একদিকে কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রা চলেছে। তা এখনও দক্ষিণ ভারতেই রয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন নিয়ে তৎপরতা চলেছে দিল্লিতে। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেস সভাপতির নির্বাচনে দাঁড়াবেন কি, দাঁড়াবেন না, তা নি
একদিকে কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রা চলেছে। তা এখনও দক্ষিণ ভারতেই রয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন নিয়ে তৎপরতা চলেছে দিল্লিতে। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেস সভাপতির নির্বাচনে দাঁড়াবেন কি, দাঁড়াবেন না, তা নিয়ে বেশ কিছু সময় চলে গিয়েছে। গেহলট শেষে রাজস্থানের পরিস্থিতির জন্য সোনিয়া গান্ধীর কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন। সেই পরিস্থিতিতে দলে সোনিয়া-রাহুলের কাছের লোক বলে পরিচিত জয়রাম রমেশ কোনটি দলের মূল ফোকাস আর কোনটি দলের সাইড শো তা নিয়ে বেশ কিছু কথা বলেছেন সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে।

মূল ফোকাশ-সাইড শো
কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচন নিয়ে যেখানে যা কিছু ঘটছে, তাকে সাইড শো বলে বর্ণনা করেছেন জয়রাম রমেশ। অন্যদিকে এদিন ২৩ তম দিনে প্রবেশ করা ভারত জোড়ো যাত্রাকে দলের মূল ফোকার বলেছেন জয়রাম রমেশ। বিষয়টিকে ভারতের রাজনীতির রূপান্তর বলেও বর্ণনা করেছেন তিনি।
|
ঐক্যমত্য না হলেই নির্বাচন
জয়রাম রমেশ বলেছেন, দেশের রাজনীতিতে কংগ্রেসের সব থেকে বড় অবদান হল ঐক্যমত্য। কিন্তু যখন তা হয় না, তখনই নির্বাচন প্রক্রিয়া অংশ নিতে হয়। তিনি বলেছেন, কংগ্রেসই একমাত্র দল যাদের সভাপতি নির্বাচনের ব্যবস্থা রয়েছে। আর প্রত্যেক ভোটারের কাছে কিউ-আর কোড দেওয়া ভোটার আইডি কার্ড রয়েছে।
নিজের দলের অভ্যন্তরে মতের অমিলের কথাও বলেছেন জয়রাম রমেশ। তিনি সেখানে গোয়ায় বিধায়কদের দলত্যাগ, রাজস্থানের বিধায়কদের বিদ্রোহকে গণতান্ত্রিক রাজনীতির অংশ বলে বর্ণনা করেছেন।

সভাপতি নির্বাচনে দুই নেতার মনোনয়ন
কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে মনোনয়ন দাখিল করেছেন, রাজ্যসভায় বিরোধী দলের নেতা মল্লিকার্জুন খারগে এবং তিরুবনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর। প্রতিদ্বন্দ্বী দুজনেই মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে বর্তমানের কার্যনির্বাহী সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন। দিগ্বিজয় সিং কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা বললেও, পরে তিনি আর বেশিদূর এগোননি।

কাউকেই সমর্থন নয় গান্ধী পরিবারের
অন্যদিকে সভাপতি নির্বাচনের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা মধুসূদন মিস্ত্রি জানিয়েছেন, মনোনয়ন পরীক্ষার পরে শনিবার প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করা হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, গান্ধী পরিবার সামনে থেকে কাউকেই সমর্থন করছেন না।
মধুসূদন মিস্ত্রি জানিয়েছেন, তাঁরা মোট ২০ টি মনোনয়নের ফর্ম পেয়েছেন। তার মধ্যে ১৪ টি মল্লিকার্জুন খারগের, ৫ টি শশী তারুরের এবং একটি ঝাড়খণ্ডের নেতা কেএন ত্রিপাঠীর।












Click it and Unblock the Notifications