মমতাদের বৈঠকে হঠাৎ হাজির রাহুল! ২০১৯-এর লক্ষ্যে বিরোধী ঐক্য ফিরে পেল প্রাণ
দিনভর জাতীয় রাজনীতি উত্তাল। বিরোধী ঐক্য, অনৈক্যের বাতাবরণে দিল্লিজুড়ে ব্যস্ততার ছবি স্পষ্ট হয়েছে এদিন যত সময় গড়িয়েছে।
দিনভর জাতীয় রাজনীতি উত্তাল। বিরোধী ঐক্য, অনৈক্যের বাতাবরণে দিল্লিজুড়ে ব্যস্ততার ছবি স্পষ্ট হয়েছে যত সময় গড়িয়েছে। একসঙ্গে তিন ধরনা চলছে রাজধানীর বুকে ষোড়শ লোকসভা অধিবেশেনের শেষ দিনে। সেই ধরনা-মঞ্চ আদতে রূপ নিয়েছে বিরোধী ঐক্যের মহাক্ষেত্রে। মাঝে সংসদে তাল কাটলেও দিনশেষে সেই জোট ছবিই প্রকট হল।

বিরোধীদের বৈঠক চলছিল এনসিপি সুপ্রিমো শারদ পাওয়ারের বাড়িতে। সেই বৈঠক যখন প্রায় শেষ, বেরিয়ে যাচ্ছেন অনেকে, তখনই হঠাৎ হাজির কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তখন ফের তৎপরপতা, ভাঙা বৈঠক আবার শুরু। রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দিল্লির বুকে দীর্ঘদিন পর মুখোমুখি কংগ্রেসে সভাপতি রাহুল গান্ধী ও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আরও তাৎপর্যপূর্ণ রাহুল গান্ধীর উপস্থিত হওয়া এবং রাহুল-মমতার মুখোমুখি হওয়া। এদিন সকালেই তৃণমূলের ধরনা মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। তৃণমূল সাংসদদের সঙ্গে জোট বেঁধে মোদী বিরোধিতায় সামিল হয়েছেন। পরিচিত ভঙ্গিতে চৌকিদার চোর হ্যায় স্লোগান তুলেছেন। রাহুলের স্লোগান উঠে এসেছে তৃণমূল সাংসদদের মুখে।
তারপর লোকসভায় চিটফান্ড নিয়ে কংগ্রেসের অবস্থানে মমতা কড়া বার্তা দেয়। শেষমেশ সোনিয়ার হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এরপর যন্তরমন্তরের ধরনা মঞ্চ থেকে বলেন, রাজ্যে লড়াই থাকতে পারে জাতীয় ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে লড়ব। আর রাতে শারদ পাওয়ারের বাড়িতে যখন বিরোধীদের বৈঠক চলছে, তখনই রাহুলের হঠাৎ উপস্থিতি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দিয়ে গেল।
রাহুলের উপস্থিতির পর ভাঙা বৈঠক আবার জোড়া লেগে যায়। পরিপূর্ণ হয় বিরোধী মঞ্চ। দীর্ঘক্ষণ বৈঠক চলে। এই বৈঠক থেকে জাতীয় রাজনীতিতে এক সুদূরপ্রসারী ফল মিলতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।












Click it and Unblock the Notifications