'কৃষ্ণপত্র' প্রকাশ করল কংগ্রেস! কোন কোন ক্ষেত্রে মোদী সরকার ব্যর্থ, তুলে ধরলেন মল্লিকার্জুন খাড়গে
নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ২০১৪ সালের আগেকার সময়ের এবং পরবর্তী সময়ের অর্থনীতি নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছিল। তবে তার আগে বৃহস্পতিবার কৃষ্ণপত্র প্রকাশ করলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। সেখানে তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার অর্থনীতিতে ব্যর্থ হয়েছে।
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্নুজন খাড়গে বলেছেন, মোদী সরকার বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি এবং কৃষকদের দুর্দশা কৃষ্ণপত্রে তুলে ধরা হয়েছে। কৃষ্ণপত্র প্রকাশের পরে মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছেন , তারা সরকারের বিরুদ্ধে কৃষ্ণপত্র প্রকাশ করেছেন। কারণ যখনই সরকার সংসদে কথা বলে, সবসময় অর্জনের কথা বলে। তারা কখনই ব্যর্থতার কথা বলে না। ব্যর্থতার কথা বলতেও দেয় না। তাই কংগ্রেসের এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন তিনি।

মল্লিকার্জুন খাড়গে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী পাবলিক সেক্টরের কথা বলেননি, যেগুলি জওহরলাল নেহরু প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং চাকরি দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেছেন, আপনি ইন্দিরাজি, রাবীবজি এবং নেহরুজিকে গালি দেন, কিন্তু মনরেগা নিয়ে কথা বলেন না। মনরেগাতে টাকা না দেওয়ায় গ্রামীণ জীবনে দুর্দশা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে।
কংগ্রেস প্রধান বলেছেন, গত বছর বিজেপি কংগ্রেসের ৪১১ জন বিধায়ককে নিয়েছে। তাদের জন্য কত খরচ করা হয়েছে, তা তারা জানেন না। খাড়গে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সংসদে বক্ৃতা করার পরে কংগ্রেস নেতারা গালাগালি ও হুমকি দেওয়া কল পেয়েছেন। যার পরে পুলিশেও অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টিকে তেমন পাত্তা দিচ্ছে না কংগ্রেস। নিজের কথা উল্লেখ করে খাড়গে বলেছেন, তিনি একজন তফশিলি জাতির প্রতিনিধি, যেখানে তিনি এখন রয়েছেন, সেখানে পৌঁছতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার এখনও শ্বেতপত্র প্রকাশ করেনি। বিজেপি নেতা তথা হাজারিবাগের সাংসদ এবং অর্থ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান জয়ন্ত সিনহা জানিয়েছেন, তাদের শ্বেতপত্রে কংগ্রেসের ক্ষমতা ছাড়ার সময় অর্থাৎ ২০১৪ সালের দেশের আর্থিক অবস্থা তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি কীভাবে সেখানে পরিবর্তন হয়েছে, তাও রাখা হবে।
বিজেপি নেতা তথা অর্থ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান জয়ন্ত সিনহা দাবি করেছেন, ২০১৩ সালে ইউপিএ শাসনের সময়ে ভারত বিশ্বের ভঙ্গুর পাঁচ অর্থনীতির মধ্যে একটি ছিল। ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগের সাংসদ দাবি করেছেন, ইউপিএ শাসনের সময়ে ভারতের জিডিপি ৫ শতাংশ নেমে গিয়েছিল। মুদ্রাস্ফীতি ১০ শতাংশের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। ব্যাঙ্কগুলির এনপিএ ১০ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছিল। দেশ অর্থপ্রদানের ভারসাম্য সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications