বাংলায় কংগ্রেসের ভরাডুবি, পুদুচেরিতে ধাক্কার পর ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সোনিয়া সরব, শেষমেশ বড় সিদ্ধান্ত গৃহীত
২০২১ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটে কার্যত ভরাডুবি দেখেছে বাংলার কংগ্রেস। অধীর চৌধুরীর মতো দাপুটে নেতার হাতে রাশ থাকা সত্ত্বেও বাংলার বুকে যেমন ধরাশায়ী হাত শিবির, তেমনই পুদুচেরিতে মসনদ থেকে সরেছে সংগ্রেস। এমনকি কেরল বা অসমও স্বস্তিতে রাখেনি সোনিয়া ক্যাম্পকে। এমন পরিস্থিতিতে এদিন কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে ভোটের ফলাফল নিয়ে সরব হতে দেখা যায় সোনিয়াকে। বৈঠকের শেষে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচন নিয়েও বড় পদক্ষেপ নেয় কংগ্রেস।

কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে কী ঘটল?
এদিন কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক শেষ হওয়ার আগে দলের পরবর্তী সভাপতি/ সভানেত্রী নির্বাচনের প্রসঙ্গ ওঠে। দলের তরফে জানানো হয়েছে কোভিড পরিস্থিতিতে আপাতত সিডব্লিউসি এই নির্বাচন পিছিয়ে দিচ্ছে। কোভিড পরিস্থিতিতে এই নির্বাচন সংগঠিত করা সঠিক নয় বলে দল জানিয়েছে। আগামী ২৩ জুন এই নির্বাচনের তারিখ দেওয়া হয়েছে।

সরব সোনিয়া
' পর পর এই ধাক্কা থেকে শিক্ষা নিতে হবে আমাদের। এই মুহূর্তে দলের অবস্থা দেখে হতাশ বললে কম বলা হয়। ভোটের ফলাফল বলছে, দলকে নতুন শৃঙ্খলায় সংঘবদ্ধ করতে হবে। শীঘ্রই ছন্দে ফিরতে হবে।' কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে এদিন এভাবেই বক্তব্য রেখেছেন সোনিয়া গান্ধী। একাধিক রাজ্যে কংগ্রেসের পরাজয়ের প্রেক্ষিতে এদিন তিনি তাবড় বার্তা দিয়েছেন দলকে।

কোন স্ট্র্যাটেজিতে সোনিয়া?
এদিনের বৈঠকে সোনিয়া গান্ধী জানিয়েছেন, দলকে পুনরুজ্জিবীত করতে তিনি ছোট ছোট কমিটি তৈরি করবেন। দলের কোথায় কীরকম খামতি রয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করে রিপোর্ট জমা দেবে তারা। সেই মতো এগিয়ে যাবে দলের কর্ম প্রক্রিয়া।

বাংলার হয়ে বললেন জিতিন প্রসাদা
প্রসঙ্গত, এদিনের বৈঠকে কংগ্রেসের তরফে দলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীদের বক্তব্য রাখতে দেওয়া হয়। সেখানে তাঁরা কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য় রাখেন। এরপর ভোট সম্পন্ন হওয়া রাজ্য ধরে এক একজন নেতা দলের পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন। সেই সময় পশ্চিমবঙ্গের তরফে বক্তব্য রাখেন জিতিন প্রসাদা। তখনই সোনিয়া বলেন,'আমি আশা করব খোলাখুলিভাবে রাজ্যগুলিতে আমাদের পারফরম্যান্স নিয়ে ওঁরা কথা বলবেন। কেন আশার বহু নিচে গিয়ে আমাদের পারফরম্যান্স হল তা ওঁরা বলবেন বলে আমার আশা। '












Click it and Unblock the Notifications