লোকসভায় কংগ্রেস-এনসিপি আসনরফা, মহারাষ্ট্রে রাহুল-শারদের টক্কর সেনা-বিজেপিকে
লোকসভা নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে রাজ্যে প্রচারও তুঙ্গে উঠেছে। শেষপর্যন্ত টালবাহানা সরিয়ে রেখে মহারাষ্ট্রে লোকসভা নির্বাচনের জন্য আসন ভাগাভাগি করে নিল কংগ্রেস-এনসিপি।
লোকসভা নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে রাজ্যে প্রচারও তুঙ্গে উঠেছে। শেষপর্যন্ত টালবাহানা সরিয়ে রেখে মহারাষ্ট্রে লোকসভা নির্বাচনের জন্য আসন ভাগাভাগি করে নিল কংগ্রেস ও জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টি বা এনসিপি। আগেই চূড়ান্ত হয়েছিল, এবার সেই রফাসূত্রে সিলমোহর পড়ল।

মহারাষ্ট্রে ৪৮টি আসন নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিল রাহুল গান্ধী ও শারদ পাওয়ারের দল। সিদ্ধান্ত হয়েছে, কংগ্রেস প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ২৬টি আসনে, আর এনসিপি ২২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। মহারাষ্ট্রে 'মহা আগাদী' বা গ্র্যান্ড জোটের ৫৬টি রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের প্রধান রাজনৈতিক দল কংগ্রেস ও এনসিপি।
শনিবার মুম্বইয়ে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে এই আসনরফা কথা ঘোষণা করা হয়। মহারাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রধান অশোক চৌহান ও জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির অজিত পাওয়ার বলেন, বিজেপি ভেদাভেদের রাজনীতি করে। মহারাষ্ট্রের মানুষ এবার সেনা-বিজেপিকে শিক্ষা দেবে। তারপর সেনা-বিজেপি একে অপরের সঙ্গে লড়াই করেছে।
জোটে থাকা কিছু দল থেকে নিজস্ব কোটায় প্রার্থী করবে কংগ্রেস ও এনসিপি। তবে জোটে থাকা অনেক দলের জন্য কোনও আসন বরাদ্দ করা হয়নি। পিডব্লিউপির নেতা জয়ন্ত পাতিল বলেন, তারা












Click it and Unblock the Notifications