বিজেপির কী হাল হবে ২০২৩-এর ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে, অঙ্ক কষে জানালেন সুদীপ
আবার তিনি কংগ্রেসে ফিরেছেন, তাঁকে ঘিরে আবর্ত হচ্ছে ত্রিপুরার রাজনীতি। সেই সুদীপ বর্মন এবার বিজেপিকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন।
কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল হয়ে তিনি বিজেপিতে গিয়েছিলেন। তারপরই পরিবর্তন এসেছিল ত্রিপুরায়। সিপিএমের ২৫ বছরের জমানার অবসান ঘটিয়ে সূচনা হয়েছিল বিজেপি সরকারের। আবার তিনি কংগ্রেসে ফিরেছেন, তাঁকে ঘিরে আবর্ত হচ্ছে ত্রিপুরার রাজনীতি। সেই সুদীপ বর্মন এবার বিজেপিকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন।
ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ প্রচারে তিনি জানিয়ে দিলেন বিজেপি এবার সিঙ্গল ডিজিট পেরোতে পারবে না। যদি না সাংঘাতিক ম্যানিপুলেশন হয়, তবে দেখবেন বিজেপির কী হাল হয়! বিজেপির কোনো জন সমর্থন নেই। আর কংগ্রেসের হারানো জন সমর্থন ফিরে আসছে। সেই নিরিখে এবারের ভোট তদের কাছে কঠিন নয়।

সুদীপ রায় বর্মন বলেন, সত্যের জয় হবেই। কংগ্রেসের কোনো অস্তিত্বের সংকট নেই। কেননা আমরা মানুষ কথা ভাবিয অনেকেই কংগ্রেস ছেড়ে চলে যান। তারা আবার কংগ্রেসে ফিরে আসেন। আর এর জ্বলন্ত উদাহারণ আমি। আমার কথা মিলিয়ে নেবেন কংগ্রেস ভোট যেটা চলে গিয়েছিল সেটা আবার ফেরত আসবে।
সুদীপ রায় বর্মন এদিন ব্যাট ধরেন টিপ্রামোথার হয়ে। টিপ্রামোথা যদি ১০-১২টি আসনে জিতে যায়, তাহলে দেখবেন বিজেপি পাঁচটি আসনও পাবে না। টিপ্রামোথার অবশ্যই নিজের আসন রয়েছে। বিজেপিতে কোনও একতা নেই। ওদের সমস্ত নেতারা চলেন নিজের নিজের মতো। তিনি নিজের বিজেপিতে যাওয়ার কারণ হিসেবে জানান, মানুষ একঘেয়েমি কাটাতে চেয়েছিল, আমি তাই গিয়েছিলাম। সেই সিদ্ধান্ত ভুল ছিল না।
এখন বিজেপি হাত থেকে গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হবে। সংবিধান ভেঙে পড়েছে, তাও পুনরুদ্ধার করতে হবে। তাই সময়ের ডাকেই আমরা জোট করেছি সিপিএম তথা বামেদের সঙ্গে। এই সিদ্ধান্তও সঠিক। বামেদের ও কংগ্রেসের উভয়ের নীচু তলা থেকে চাপ ছিল। তাই আমরা এক হয়েছি। একা একা লড়াই করা যাবে না। এখানে নীচুতলার কর্মীদের একটা মিল রয়েছে। যেটা পশ্চিমবাংলার ঠিক উল্টো।
এদিন তৃণমূলের বিরুদ্ধে একটা কথাও খরচ করেননি সুদীপ রায় বর্মন। তিনি শুধু বলেন, ভেবেছিলাম তৃণমূল বামেদের হারাতে পারবে। কিন্তু তা হয়ে ওঠেনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে ভাইয়ের মতো স্নেহ করতেন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাই না, কারণ একদিন হলেও দলটা করেছি। আর তৃণমূল ত্রিপুরার রাজনীতিতে আক্রমণ করার জায়গায় আসেনি।
তিনি বলেন, আমরা দুর্নীতি বন্ধ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বুঝিনি যে বড় ডাকাতকে আমরা ধরে এনেছি। ত্রিপুরায় তাই বড় ডাকাতদেরকে সরাতে হাত মেলাতে হয়েছে আমাদের। কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব আমাদের উপর আস্থা রাখে। তাই রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীরা নিশ্চিন্ত রয়েছেন। বিজেপি ভয় পেয়েছে বলেই নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহরা ডেলি প্যাসেঞ্জারি করছেন। আর নির্বাচনের পরে প্রদ্যোৎদের সঙ্গে নিতে আমাদের কোনও দ্বিধা নেই। এবার বিজেপির বিদায় আসন্ন ত্রিপুরায়।












Click it and Unblock the Notifications