হিমাচল প্রদেশ না রাজস্থান? কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধীর ফের সংসদে পৌঁছনো প্রায় নিশ্চিত
গতবার সনিয়া গান্ধী রায়বরেলি থেকে নির্বাচিত হয়েছিল। কিন্তু এবার শারীরিক কারণে প্রবীণ কংগ্রেস নেত্রীর পক্ষে প্রচার করা খুব কঠিন বলেই মনে হচ্ছে। যে কারণে লোকসভা নির্বাচনের আগে তাঁর রাজ্যসভায় যাওয়ার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত। সূত্রের খবর, রাজস্থান থেকে তিনি রাজ্যসভায় যেতে পারেন। আবার একটি সূত্র বলছে তিনি হিমাচল প্রদেশ থেকেই রাজ্যসভায় যেতে পারেন।
কংগ্রেস সূত্রে বলা হয়েছে, তিনি এবার লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। তাঁর পক্ষে স্বাস্থের কারণে সাধারণ নির্বাচনে প্রচার করা কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা খুব কঠিন বলেই মনে করা হচ্ছে। এই কারণেই আটাত্তর বছর বয়সী নেত্রীকে নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, এবার কি উত্তর প্রদেশের রায়বরেলি থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না তিনি?

প্রশ্ন উঠেছে, সনিয়া গান্ধী যদি রায়বরেলি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নাও করেন, তাহলে সেখান থেকে কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তাঁর মেয়ে তথা কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রার নাম নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে রায়বরেলি আসনটি বরাররই কংগ্রেসের সঙ্গে রয়ে গিয়েছে। গান্ধী-নেহরু পরিবারের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই আসন। সনিয়া গান্ধীর আগে ইন্দিরা গান্ধী ছাড়াও, ফিরোজ গান্ধী, অরুণ নেহরু, শীলা কৌলের মতো নেতা নেত্রীরা এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে লোকসভায় গিয়েছেন।
কংগ্রেস ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য ১০ টি আসন ঘোষণা করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেখানে সনিয়া গান্ধীকে রাজস্থান কিংবা হিমাচল প্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় আনা হতে পারে। বাকি আসনগুলির জন্য কংগ্রেসে আলোচিত অন্য নেতারা হলেন, অজয় মাকেন, জিতেন্দ্র সিং, অভিষেক মনু সিংভি। মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৫ ফেব্রুয়ারি।
মধ্যপ্রদেশ থেকে কমলনাথ তাঁর রাজ্যের একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন বলে সূত্রের খবর। কর্নাটকের তিনটি, তেলেঙ্গানায় দুটি, বিহার, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও হিমাচল প্রদেশের একটি করে আসনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications