জরুরি অবস্থা নিয়ে 'অন্য সুর'! জল্পনা বাড়ালেন অপর রাহুল ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতার
জরুরি অবস্থা নিয়ে 'অন্য সুর'! জল্পনা বাড়ালেন অপর রাহুল ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতার
জরুরি অবস্থা নিয়ে টুইট করে জল্পনা বাড়ালেন মুম্বইয়ের বিশিষ্ট কংগ্রেস নেতা মিলিন্দ দেওরা। তিনি এদিন বলেছেন, জরুরি অবস্থা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে গণতন্ত্র, যখন পরীক্ষা করা হয়, তখন তা আবার স্থিতিস্থাপক হয়ে লড়াই করে। এটা একটা বিরল দৃষ্টান্ত যখন কংগ্রেস নেতা জরুরি অবস্থা নিয়ে কথা বললেন।

১৯৭৫-এর ২৫ জুন জরুরি অবস্থা ঘোষণা
১৯৭৫ সালের ২৫ জুন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছিলেন। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আলি আহমেগ সংবিধানের ৩৫২(১) ধারায় জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন। যা চলেছিল পরবর্তী ২১ মাস। জরুরি অবস্থা শেষ হয়েছিল ২১ মার্চ, ১৯৭৭-এ।

মিলিন্দ দেওরার টুইট
মিলিন্দ দেওরা এদিন বলেছেন, জরুরি অবস্থা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে গণতন্ত্র, যখন পরীক্ষা করা হয়, তখন আবার তা স্থিতিস্থাপক হয়ে লড়াই করে। যা রাজনৈতিক দলগুলির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। গণতান্ত্রিক সংস্থাগুলি ভালকে মানিয়ে নেয় এবং চ্যালেঞ্জকে অতিক্রম করে। তিনি আরও বলেছেন, গণতন্ত্র একটি ধ্রুবক, যাতে প্রয়োজন প্রতিশ্রুতি, ত্যাগ এবং সৎ আত্মপ্রকাশের।

কংগ্রেসের থেকে ভিন্ন লাইনে দেওরা
বর্তমান অতীতে মিলিন্দ দেওরা কংগ্রেসের থেকে ভিন্ন পথ নিয়েছেন। অনেকে অনুমান করছেন, যে কোনও সময় তিনি শিবির পরিবর্তন করতে পারেন।

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বিরোধ
এর আগে অবশ্য আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যখন কমে যায়, তখন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে তাঁর মতে বিরোধ হয়েছিল। রাহুল টুইটে বলেছিলেন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য হ্রাসের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত। যদিও এই মতের বিরোধিতা করেছিলেন দেওরা। পাশাপাশি দেওরা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লি থেকে দ্বিগুণ কর আদায় করায় তাঁর প্রশংসা করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications