Adani's US Indictment: ঘুষ-প্রতারণায় অভিযুক্ত আদানি, মোদী-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তুলে তদন্ত চায় কংগ্রেস; পাল্টা BJP
Adani's US Indictment: ঘুষ ও প্রতারণার দায়ে মার্কিন আদালতে অভিযুক্ত গৌতম আদানি (Gautam Adani)। আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা (Arrest Warrant) জারি হতেই নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) আক্রমণ বিরোধীদের। আদানি-মোদী ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তুলে ফের একবার তদন্তের দাবিতে সরব কংগ্রেস (Congress)।
নিউইয়র্কের আদালতে অভিযোগ, সোলার এনার্জি সাপ্লাইয়ের কন্ট্র্যাক্ট পেতে ভারত সরকারের শীর্ষকর্তাদের ২৬.৫ কোটি ডলার ঘুষ দিয়েছে আদানি কর্তারা। বিনিয়োগকারীদের টাকা তছরুপ করা হয়েছে। এনিয়ে সরব হন বরিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ (Jairam Ramesh)।

জয়রাম বলেন, কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের দাবিতে কার্যত মান্যতা দিল মার্কিন সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ কমিশন। কংগ্রেসের তরফে আদানি গোষ্ঠীর লেনদেন খতিয়ে দেখতে যৌথ সংসদীয় কমিটির তদন্ত আগে থেকেই দাবি করা হয়ে আসছিল বলে জানান জয়রাম রমেশ।
গৌতম আদানির সঙ্গে মোদীর ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। আদানিকে বরাবরই মোদীর প্রিয় ব্যবসায়ী বলে দাবি করে তারা। এর আগে 'হাম আদানি কে হ্যায় কৌন' একটি প্রতিবাদ সিরিজ চালু করেছিল হাত শিবির। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ১০০টি প্রশ্ন করা হয়েছিল। এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন জয়রাম রমেশ। ১০০ প্রশ্নের জবাব চেয়ে ফের একবার মোদীর বিরুদ্ধে সরব হন তিনি।
ভারতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ বোর্ডের (SEBI) তদন্ত প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগড়ে দেন কংগ্রেস নেতা। বলেন, "আদানি গোষ্ঠীর বিনিয়োগ, শাখা সংগঠনগুলির লেনদেন নিয়ে তদন্তে চরম ব্যর্থ হয়েছে সেবি। একাধিক আইন লঙ্ঘন করেছে আদানি গোষ্ঠী। কিন্তু তাদের থেকে জবাব তলব করতে ব্যর্থ হয়েছে সেবি।"
আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এহেন অভিযোগ ওঠা মাত্রই সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরাও (Pawan Khera)। ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে চূড়ান্ত প্রতারণা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সোলার এনার্জির কন্ট্র্যাক্ট পেতে সরকারের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে গৌতম আদানি ব্যক্তিগত সাক্ষাতও সারতেন বলে অভিযোগ করেন পবন খেরা।
কংগ্রেসেকে পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যও (Amit Malviya)। তাঁর দাবি, আদানিদের বিরুদ্ধে কেবল অভিযোগ আনা হয়েছে। যতক্ষণ না তা প্রমাণ হচ্ছে, ততক্ষণ তারা নির্দোষ। অমিতের আরও দাবি, "রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থাগুলিতেই টাকা পাঠানো হয়েছে।"
বিজেপি নেতা বলেন,"চার বিরোধী শাসিত রাজ্য তথা ওড়িশা, তামিলনাড়ু, ছত্তীসগঢ় ও অন্ধ্রপ্রদেশে ২০২১ থেকে ২০২২-এর মধ্যে টাকা পাঠানো হয়। যার মধ্যে সর্বোচ্চ টাকা পেয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। কংগ্রেস যেটাকে ঘুষ বলছে তাহলে ক্ষমতায় থাকাকালীন রাজ্য সরকার টাকা নেওয়ার সময় প্রশ্ন তোলেনি?"












Click it and Unblock the Notifications