ভোটের আগে ঘেঁটে গেল বিজেপির হিসাব, ‘অ্যাডভান্টেজ’ টিম রাহুলের মোদীকে টেক্কা
কর্ণাটকে ১২ মে বিধানসভা ভোট। আর ফল ঘোষণা ১৫ মে। উত্তর-পূর্ব ভারতের তিন রাজ্য প্রভাব-প্রতিপত্তি বাড়ানোর পর কর্ণাটকের দিকে নজর দিয়েছে।
কর্ণাটকে বিজেপির সমস্যা আরও বাড়ল। এআইএমআইএম প্রধান আসাউদ্দিন ওয়াইসির সিদ্ধান্তে কর্ণাটকে সুবিধাজনক অবস্থায় কংগ্রেস। রবিবার ওয়াইসি ঘোষণা করেন, তাঁরা বিধানসভার কোনও আসনে প্রার্থী দিচ্ছেন না। ফলে সংখ্যালঘু ভোট কংগ্রেসের ঝুলিতেই আসতে চলেছে। ওয়াইসি প্রার্থী দিলে কংগ্রেসের মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কে প্রভাব পড়ত।

কর্ণাটকে ১২ মে বিধানসভা ভোট। আর ফল ঘোষণা ১৫ মে। উত্তর-পূর্ব ভারতের তিন রাজ্য প্রভাব-প্রতিপত্তি বাড়ানোর পর কর্ণাটকের দিকে নজর দিয়েছে। কংগ্রেসের হাত থেকে কর্ণাটকের শাসন ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়াই লক্ষ্য নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ জুটির। আর রাহুলের লক্ষ্য বড় রাজ্যগুলিতে শক্তি পুনরুদ্ধার করা।
সেই লক্ষ্যে যেমন কর্ণাটকের ক্ষমতা ধরে রাখতে হবে, তেমনই আসন্ন মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থান ছিনিয়ে নিতে হবে বিজেপির কাছ থেকে। সেই লক্ষ্যে ধীরে ধীরে এগোচ্ছেন রাহুল গান্ধী। এখন কর্ণাটক-যুদ্ধে আসাউদ্দিন ওয়াইসি ১৮০ ডিগ্রি অবস্থান বদল করায় প্রকারান্তরে কংগ্রেসই শক্তি পেল। কংগ্রেস ও বিজেপি থেকে প্রথমে সমদূরত্ব বজায় রাখার কথা বললেও, প্রার্থী না দিয়ে তাঁরা কংগ্রেসকেই সমর্থন দিন ঘুরিয়ে।
এখন এআইএমআইএম-এর পর্যবেক্ষণ তাঁরা প্রার্থী দিলেন বিজেপি বাড়তি সুবিধা পেয়ে যাবে। কংগ্রেসের ভোট ব্যাঙ্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ কর্ণাটকের ১৬ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার। আর অন্তত ১০০ থেকে ১২০টি আসনে সংখ্যালঘুরা নির্ণায়ক শক্তি। এই অবস্থায় তাঁরা বিজেপিকে গাণিতিক হিসেবে সুবিধা দিতে নারাজ।
কর্ণাটক ভোটের প্রাক মুহূর্তে ওয়াইসির এই সিদ্ধান্তে ধাক্কা খেল বিজেপি। বিজেপির যে অঙ্ক কষেছিল, তা প্রবলভাবে ধাক্কা খেল। কর্ণাটকে বৃহত্তম শক্তি হিসেবে কংগ্রেস থাকলেও এবার তাঁদের একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়া মুশকিল বলে উঠে এসেছিল জনমত সমীক্ষায়। তবে সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্কে প্রভাব না পড়লে পুরোটাই কংগ্রেসের পক্ষে যেতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications