বিজেপি শাসিত কর্নাটকে 'ভারত জোড়ো যাত্রা'! মন্দিরে প্রার্থনা করে পদযাত্রায় সোনিয়া-রাহুল
বিজেপি শাসিক কর্নাটকে ভারত জোড়ো যাত্রায় যোগ দিলেন কংগ্রেসের অন্তবর্তী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। স্বাস্থ্যের কারণে দীর্ঘদিন পরে সোনিয়া গান্ধী সাধারণ কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে অনুষ্ঠান
বিজেপি শাসিক কর্নাটকে ভারত জোড়ো যাত্রায় যোগ দিলেন কংগ্রেসের অন্তবর্তী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। স্বাস্থ্যের কারণে দীর্ঘদিন পরে সোনিয়া গান্ধী সাধারণ কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলেন। বেশ কিছুটা হাঁটার পরে সোনিয়া গান্ধী একটি গাড়িতে ওঠেন। এদিন বেলারিতে তাঁর সভা করার কথা রয়েছে।
|
সোমবার মাইসুরুতে সোনিয়া
ভারত জোড়ো যাত্রায় যোগ দিতে সোনিয়া গান্ধী সোমবার বিকেলে মাইসুরুতে পৌঁছে গিয়েছিলেন। মেডিকেল চেকআপের জন্য তিনি দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। সোমবার কুর্গের মাদিকেরি থেকে মাইসুরুতে পৌঁছন তিনি। কিন্তু আয়ুধ পুজো এবং বিজয় দশমীর কারণে যাত্রায় দুদিনের বিরতি ছিল। এদিন সকালে সোনিয়া গান্ধী জাকান্নাহাল্লিতে পৌঁছে যান এবং পাণ্ডবপুরা তালুক থেকে সকাল সাড়ে ছটায় যাত্রা শুরু করেন। এদিন শুরু হওয়া ভারত জোড়ো যাত্রা সন্ধে সাতটার মধ্যে নাগামঙ্গলা তালুকে শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে।
এদিন সকালে সোনিদা গান্ধীর সঙ্গে রাহুল গান্ধী ছাড়াো ছিলেন, স্থানীয় বিধায়ক অঞ্ডলি নিম্বলকার, রূপকালা এবং লক্ষ্মী হেব্বালকর।

পদযাত্রা শেষে সভা
এদিনের পদযাত্রা শেষে বেলারির ব্রহ্মদেবরাহল্লী গ্রামে কংগ্রেসের সভা হবে। সেখানেও সোনিয়া গান্ধীর থাকার কথা রয়েছে। নাগামঙ্গলা তালুকের সরকারি আয়ুর্বেদিক হাসপাতালে বিপরীতে সভার স্থল নির্ধারিত হয়েছে।
গত ৭ সেপ্টেম্বর কন্যাকুমারী থেকে ভারত জোড়ো যাত্রার শুরু করেছিলেন রাহুল গান্ধী। গত শুক্রবার তা কর্নাটকে প্রবেশ করে। দলের নেতা রাহুল গান্ধী কেরলের সীমান্তবর্তী চামরাজনগর জেলার গুণ্ডলুপেট হয়ে কর্নাটকে প্রবেশ করেছিলেন।
|
টুইটারে ভারত জোড়ো যাত্রার সূচি
বিজেপি শাসিত কর্নাটকের মান্ড জেলায় কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রার সূচি টুইটারে শেয়ার করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল আশা, ভালবাসা ও জয়ের মধ্যে দিয়ে ভারত জোড়ো যাত্রা পাণ্ডবপুরা থেকে শুরু হয়ে নাগামঙ্গলা তালুকে শেষ হবে।
কর্নাটকে ভারত জোড়ো যাত্রা চলবে ২১ দিন ধরে। এই সময়ে ৫১১ কিমি পথ অতিক্রম করবে এই যাত্রা। এই সময়ের মধ্যে ভারত জোড়ো যাত্রা চামরাজানগর, মাইসুরু, মান্ড, তুমাকুরু, চিত্রদুর্গ, বেলারি, রাইচুর জেলার মধ্যে দিয়ে যাবে।
|
কেউ থামাতে পারবে না, বলেছিলেন রাহুল
সোমবার ৩ অক্টোবর ভারত জোড়ো যাত্রা মাইসুরু থেকে শুরু হয়। রাহুল গান্ধী সেদিনও যাত্রায় হাজির হয়েছিলেন। ভারী বৃষ্টির মধ্যে তিনি বক্ততা দেন। ক্যাপশন-সহ একটি ভিডিও শেয়ার করে তিনি বলেছিলেন, কেউ তাদেরকে ভারতকে একত্রিত করা থেকে আটকাতে পারবে না। ভারতের আওয়াজ তোলা থেকে কাউ তাদেরকে থামাতে পারবে না। ভারত জোড়ো যাত্রাকে কন্যাকুমারী থেকে কাশ্মীর যেতে কেউ আটকাতে পারবে না।
প্রসঙ্গত কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রা ১৫০ দিনে ৩৫৭০ কিমি পথ অতিক্রম করবে।












Click it and Unblock the Notifications