প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে কংগ্রেসে বিভাজন, পাল্টা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা
কংগ্রেসের (congress) বর্ষীয়ান নেতারা দলে প্রশান্ত কিশোরকে (prashant kishor) নেওয়া হলে, তাঁকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার পক্ষে নন। এমনটাই খবর সূত্রের। তবে এমনটাই শোনা যাচ্ছে প্রশান্ত কিশোরকে কংগ্রেসে পলিটিক্যাল ম্যানেজারে
কংগ্রেসের (congress) বর্ষীয়ান নেতারা দলে প্রশান্ত কিশোরকে (prashant kishor) নেওয়া হলে, তাঁকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার পক্ষে নন। এমনটাই খবর সূত্রের। তবে এমনটাই শোনা যাচ্ছে প্রশান্ত কিশোরকে কংগ্রেসে পলিটিক্যাল ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যেতে পারে। যেমনটি একটা সময়ে পালন করতেন সোনিয়া গান্ধী ঘনিষ্ঠ আহমেদ প্যাটেল। আবার কংগ্রেসের একটা অংশ বিষয়টি নিয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষপাতি নন বলেই জানা গিয়েছে।

প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত কংগ্রেস
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বেশ কয়েক সপ্তাহ আগে কংগ্রেস নেতা ভিসি ভেনুগোপাল প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে আলোচনা করতে দলের বর্ষীয়ান নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, একে অ্যান্টনি, জয়রাম রমেশ, দিগ্বিজয় সিং এবং তারিক আনোয়ার সেই বৈঠকে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, বর্ষীয়ান নেতারা জানিয়েছেন, বর্তমান দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রশান্ত কিশোরকে কাজ করতে হবে। তাঁর দক্ষতাকে দলের অন্য নেতা-কর্মীদের দক্ষতার নিরিখেই দেখা হবে। অপর একটি সূত্র বলছে, নির্বাচনে পোল স্ট্র্যাটেজিস্টের জন্য জন্য দলে আলাদা করে প্রচার কমিটি গঠন কিংবা আলাদা বিভাগ তৈরিতে আপত্তির কিছু নেই। এই বৈঠক ছাড়াও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে আলাদা করে বিভিন্ন নেতার কাছে এব্যাপারে তাঁদের মতামত জানতে চেয়েছে বলে সূত্রের খবর।

বড় বিরোধিতায় কংগ্রেসের G- 23 নেতারা
জানা গিয়েছে দলে প্রশান্ত কিশোরের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বড় বিরোধিতা করেন কংগ্রেসে G-23 নেতারা। সেই তালিকায় রয়েছেন কপিল সিবাল, মনীশ তিওয়ারি, গুলামনবি আজাদের মতো নেতারা। সোমবার জন্মাষ্টমী উপলক্ষে নেতারা কপিল সিবালের বাড়িতে মিলিত হয়েছিলেন। সেখানেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। সেই বৈঠকে দলে যাঁরা প্রশান্ত কিশোরে অন্তভুক্তির সমর্থক, তাঁদের বেশ কয়েকজন হাজির ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকে উত্তর প্রদেশে প্রশান্ত কিশোরের ব্যর্থতার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

পাল্টা প্রস্তাব
বৈঠকে প্রশান্ত কিশোরকে অন্তর্ভুক্তির পাল্টা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। সেখানে সংগঠনে পুরোপুরি পরিবর্তনের পাশাপাশি দলের প্রতিদিনের কাজ দেখাশোনার করার জন্য উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করার কথা বলা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি এবিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাওয়া উচিত হবে না বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের ফল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী মিলেছিল
মে মাসে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের জয়ের পরে প্রশান্ত কিশোর বলেছিলেন, তিনি রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ ছাড়ছেন।
গত ডিসেম্বরে যখন শুভেন্দু অধিকারীর মতো বড় মুখ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি যোগদান করছিলেন, সেই সময় প্রশান্ত কিশোর টুইট করে বলেছিলেন, বিজেপি যদি রাজ্যে ১০০ আসনের বেশি পায় তাহলে তিনি তাঁর কাজ থেকে অব্যাহতি নেবেন। অর্থাৎ সেই সময়েই তিনি নিশ্চিত ছিলেন বিজেপিকে তিনি ১০০-র অনেক নিচেই বেধে রাখতে পারবেন।
প্রশান্ত কিশোরের সেই ভরসা সত্যি হয়। মে মাসে ফল বেরনোর পরে দেখা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে হারলেও, তাঁর দল ২০০ পার করে ফেলেছে। সেই সময় প্রশান্ত কিশোর সাংবাদিকদের জানান, তিনি যে কাজ করে চলেছে, তা তিনি আর করতে চান না।
প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার নাম হল আইপ্যাক। তৃণমূলের জয়ের পরে প্রশান্ত কিশোর বলেছিলেন, এবার আইপ্যাকের সদস্যরাই সব কাজ করবে। কেননা তারা যে সঠিক কাজ করতে পারে, তা পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনেই প্রমাণিত।












Click it and Unblock the Notifications