দিল্লির হিংসায় অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি, মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালকেও দায়ী করল কংগ্রেস
দিল্লির হিংসায় অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি, মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালকেও দায়ী করল কংগ্রেস
রাজধানীর বুকে ভয়ঙ্কর হিংসা ছড়ানোর জন্য কেন্দ্র এবং দিল্লি উভয় সরকারকেই দায়ী করল কংগ্রেস। সেইসঙ্গে দিল্লিতে স্বাভাবিক অবস্থা ফেরাতে ব্যর্থ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবিও করা হল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। কংগ্রেসের দাবি, আর এক মূহূর্তও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদে থাকা উচিত নয় অমিত শাহের।

কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি বুধবার বৈঠকে বসে দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে। এই বৈঠক শেষে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং তাঁর সরকারকেও তোপ দাগা হয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। কংগ্রেস জানায়, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে জনগণের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে ব্যর্থ কেজরিওয়াল।
কংগ্রেস জানায়, একা কেন্দ্রীয় সরকার বা বিজেপিই দায়ী নয়, কেন্দ্রের প্রশাসনকে সক্রিয় না করার দায় নিতে হবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও। দিল্লির পার্টির সদর দফতরে অনুষ্ঠিত সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তে সিডব্লুসি জানায়, এটি দু'টি সরকারের সম্মিলিত ব্যর্থতা। রাজধানী শহরে বিরাট ট্র্যাজেডির দায় এড়াতে পারে না কেউই।
পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পরে কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির মতামত, দিল্লিতে যা ঘটেছিল তা এক বিশাল ব্যর্থতা। যার জন্য পুরো দায় কেন্দ্রীয় সরকার, বিশেষত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকের। তাই আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি করছি। দিল্লি নির্বাচনের সময় এবং বিগত কয়েকদিনে কিছু নেতার উত্তেজক বক্তৃতাও এ জন্য দায়ী। ফলে দায় নিতে হবে বিজেপিকেও।
কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং প্রবীণ নেতা এ কে অ্যান্টনি, গোলাম নবী আজাদ, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্র এবং জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কংগ্রেসের প্রাক্তন প্রধান রাহুল গান্ধী বর্তমানে বিদেশে থাকায় উপস্থিত ছিলেন না।
রবিবার থেকে দিল্লির হিংসা ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। নির্বাচনের সময়ও অবস্থান বিক্ষোভ চলছিল। কিন্তু বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা সেখানে ভীতি ও ঘৃণার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে উত্তেজক বিবৃতি ছড়িয়েছে। তার ফলেঅই তিন দিন ধরে জ্বলছে দিল্লি। পুলিশ নীরব দর্শকে পরিণত হয়েছে। দিল্লির হিংসায় এখন পর্যন্ত একজন হেড কনস্টেবল-সহ ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং দুই শতাধিক আহত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ৭০ জনেরও বেশি তার মধ্যে গুলিবিদ্ধ।












Click it and Unblock the Notifications