মোদীর ‘মন কি বাতের’ পাল্টা এবার কংগ্রেসের ‘দেশ কি বাত’
২০১৪-র লোকসভা ভোটের পর থেকেই দেশবাসীর কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর 'মন কি বাত’। দীর্ঘদিন থেকেই সাধারণ মানুষের চায়ে পে চর্চায় অন্যতম বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে নরেন্দ্র মোদীর এই বেতার অনুষ্ঠানটি। এবার দেশের তথা রাজ্য রাজনীতির অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিয়ে আর বেশি করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে কংগ্রেসের 'দেশ কি বাতের’ ভাবনা।

২৬শে অক্টোবর অর্থাৎ শনিবার একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে কংগ্রেসের এই দেশ কি বাতের অনুষ্ঠানটির সূচনা হয়েছে। কংগ্রেসের মুখপাত্র পবন খেরা জানিয়েছেন শনিবার সকাল ১১টা থেকে ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব সহ একাধিক অনলাইন প্লাটফর্মে এই অনুষ্ঠানটি দেখা গিয়েছে।
এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে এক বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা বলেন, ' কংগ্রেসের তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের নতুন অনুষ্ঠান দেশ কি বাত এবার দেশবাসীর আসল সমস্যার কথা তুলে ধরতে চলেছে।’ তিনি আরও বলেন, 'সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিন ধরে চাপা পড়ে থাকা সমস্যাগুলির কথা না শুনলে মানুষের রায় কখনওই কোনও রাজনৈতিক দলের দিকে যেতে পারে না। মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা ভোটের ফল থেকেই স্পষ্ট সাধারণ মানুষ পুনরায় কংগ্রেসের উপর আস্থা ফিরে পাচ্ছে।’
কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়া প্রধান রোহন গুপ্ত জানান জাতীয় কংগ্রেসের এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যাগুলির কথা তুলে ধরবে। একইসঙ্গে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন ও ভোট পূর্ববর্তী প্রতিশ্রুতি পূরণের ক্ষেত্রে বর্তমান শাসক দল কেন বারবার মুখ তুবড়ে পড়ছে সেই বিষয়েও প্রশ্ন করা হবে ওই অনুষ্ঠানে। পাশাপাশি কংগ্রেসের তথ্য প্রযুক্তি সেলের ওই মুখ্য কর্মধ্যাক্ষ এও জানান, দেশজুড়ে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্বের পরিমাণ বৃদ্ধি, দেশের অর্থনীতির পারাপতন সহ একাধিক বিষয় সম্পর্কেও সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করবে ওই অনুষ্ঠান।
অন্যদিকে কিছুদিন আগেই বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা সন্দীপ দীক্ষিত মন কি বাতের সমালোচনা করে 'কাম কি বাত’ নামক একটি অনুষ্ঠান শুরু করেন। যদিও পরবর্তীকালে অনুষ্ঠানটি কোনও এক অজ্ঞাত কারণে বন্ধও হয়ে যায়। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে কংগ্রেসের 'দেশ কি বাত’ সাধারণ মানুষের মনে কতটা ছাপ ফেলে এখন সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications