ভাঙনের মুখে মধ্যপ্রদেশ বিজেপি! কর্ণাটক হারিয়ে প্রত্যাঘাতের রাস্তায় হাঁটল কংগ্রেস
কর্নাটকের পর কি মধ্যপ্রদেশ? জাতীয় রাজনীতিতে এই সম্ভাবনার জন্ম নিতেই প্রত্যাঘাতের রাস্তায় হাঁটল কংগ্রেস।
কর্নাটকের পর কি মধ্যপ্রদেশ? জাতীয় রাজনীতিতে এই সম্ভাবনার জন্ম নিতেই প্রত্যাঘাতের রাস্তায় হাঁটল কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশ সরকারের দিকে হাত বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করতেই বিজেপির দুই বিধায়ককে দলে টানার হুঁশিয়ারি দিল কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেস বিজেপির চ্যালেঞ্জ নিয়ে জানিয়েছে, শীঘ্রই বিজেপির দুই বিধায়ক যোগ দেবেন কংগ্রেসে।
সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশ বিজেপির দুই বিধায়ক নারায়ণ ত্রিপাঠী ও শরদ কল কংগ্রেস নেতা সুরেশ পাচারীর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁরা কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। কংগ্রেস সরকারের পক্ষে বিধানসভার একটি বিলেও তাঁরা ভোট দিয়েছেন। তখন থেকেই জল্পনা চলছিল। এবার বিজেপিতে ভাঙন ধরিয়ে সেই জল্পনাকে বাস্তবে পরিণত করল কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশে শক্তি বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিল কংগ্রেস।

ত্রিপাঠী ও কল- উভয়েই কংগ্রেসী রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন দীর্ঘদিন। তাঁরা কমল নাথের নেতৃত্বাধীন মধ্যপ্রদেশ সরকারকে সমর্থন করে আসছিলেন প্রথম থেকে। তাঁদের সমর্থনে বিধানসভায় কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে সম্ভবপর হচ্ছিল।
সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশে ২০১১ সালের ফৌজদারী আইন সংশোধনী বিল পাসে ভোটাভুটির সময়, ১২২ জন বিধায়কের সমর্থন পায়। ২৩০ সদস্যের মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ১২১। তার মধ্যে স্পিকার এন পি প্রজাপতি ভোটে অংশ নেননি। অর্থাৎ কংগ্রেসের ১২০ জন বিধায়ক ও আর বিজেপির দুই বিধায়ক বিলকে সমর্থন করে। পরে দুই বিধায়ক কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা জানান। তাঁরা আরও জানান, শীঘ্রই তাঁরা ঘরে ফিরছেন।












Click it and Unblock the Notifications