লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি সব থেকে বড় দল হবে, কিন্তু...! কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুরের বড় ভবিষ্যদ্বাণী
সংসদে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের পর ফেব্রুয়ারির শেষ কিংবা মার্চের শুরুতে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। তার আগে প্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপি ব্যস্ত রামমন্দিরের ২২ জানুয়ারির উদ্বোধন নিয়ে। অন্যদিকে রাহুল গান্ধী এদিন মণিপুরের থৌবল থেকে ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা শুরু করেছেন। তারই মধ্যে আগামী সাধারণ নির্বাচনের পল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর।
সংবাদ মাধ্যমে তাঁর বিবৃতি অনুযায়ী, লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বৃহত্তম দল হয়ে উঠবে। তবে তারা আগেরবারের থেকে কম আসন পাবে। সেই পরিস্থিতিতে এনডিএ ভুক্ত দলগুলির আস্থা বিজেপির প্রতি কমতে থাকবে। তিনি আরও বলেছেন, পরিস্থিতি এমনও হতে পারে, বিজেপির সহযোগী দলগুলি তাদের বিরোধীও হয়ে উঠতে পারে।

ইন্ডিয়া ব্লকের আসন সমঝোতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিরুবনন্তপুরমের কংগ্রেস সাংসদ বলেছেন, যদি রাজ্যগুলিতে আসন ভাগাভাগি সঠিক হয়, তাহলে পরাজয়ের হাত থেকে বাঁচতে পারে বিরোধীরা। কেরল সম্পর্কে তিনি বলেছেন, সেখানে সিপিআইএম এবং কংগ্রেসের পক্ষে আসন ভাগাভাগি চুক্তি হওয়া খুব কঠিন।
প্রসঙ্গত পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যে একমাত্র তৃণমূলই বিজেপিকে হারাতে পারে। তিনি রাজ্যে আসন ভাগের বিরুদ্ধে বলেও ইঙ্গিত করেছেন। কার্যত একই অবস্থা দিল্লি ও পঞ্জাবে। যেখানে আপ কংগ্রেসকে অর্ধেকের বেশি আসন ছাড়তে চায় না।
শশী তারুর বলেছেন, ইন্ডিয়া ব্লকের দুই শরিক কেরলে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। তারা কখনও আসন ভাগাভাগিতে একমত হতে পারে, তা কল্পনাতেও আনা অসম্ভব। তবে পড়শি রাজ্য তামিলনাড়ুতে ডিএমকে, কংগ্রেস, সিপিআই ও সিপিআইএমের মধ্যে জোট নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই।
এদিকে রাজ্যে রাজ্যে ইন্ডিয়া ব্লকের শরিক দলগুলির মধ্যে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। কোনও রাজ্য নিয়েই চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্তের কথা এখনও জানা যায়নি। সেই পরিস্থিতিতে বিজেপির টার্গেট হল ৪০০-র বেশি আসন অর্জন করা। তারা নিদেন পক্ষে রাজীব গান্ধীর ১৯৮৪ সালের ৪০৩ আসনের রেকর্ড ভাঙতে চায়। প্রসঙ্গত ২০১৯-এ বিজেপি এখনও পর্যন্ত সব থেকে বেশি আসন দখল করেছিল। এনডিএ পেয়েছিল ৩৫৩ টি আসন।












Click it and Unblock the Notifications