Allahabad University: উত্তপ্ত এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়! ছাত্র-নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ব্যাপক ভাঙচুর
উত্তপ্ত এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানকার নিরাপত্তারক্ষী এবং ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ। একটা সময়ে পরিস্থিতি এমন হয় যে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। ছাত্রদের বিরুদ্ধে বাইকে আগুন লাগানো এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
উত্তপ্ত এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানকার নিরাপত্তারক্ষী এবং ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষ। একটা সময়ে পরিস্থিতি এমন হয় যে তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
ছাত্রদের বিরুদ্ধে বাইকে আগুন লাগানো এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে (যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি বেঙ্গলি ওয়ান ইন্ডিয়া) ছাত্ররা হিংসাত্মক হয়ে ওঠার পরে ক্যাম্পাসে রক্ষী ও পুলিশ ডাকা হয়। সেই সময় ছাত্ররা তাঁদের দিকে ঢিল ছোঁড়ে।
প্রাক্তন এক ছাত্র নেতাকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে না দেওয়া নিয়ে রক্ষীদের সঙ্গে তর্কের পরেই হিংসা শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে। তবে গত কয়েকমাস ধরে ফি বৃদ্ধির বিরুদ্ধে আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন ছাত্রছাত্রীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের তরফে ফি বৃদ্ধি প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে এদিনের সংঘর্ষের ঘটনার পরে ছাত্র ও নিরাপত্তারক্ষী উভয়পক্ষেই হতাহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুলিশ কমিশনার রমিত শর্মা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ছাত্রদের ইউনিয়ন অফিসে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের সব অভিযোগ শোনা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
Uttar Pradesh | Protest over fee hike in Allahabad University premises in Prayagraj; motorbike torched, car damaged by protesters; police present at the spot pic.twitter.com/KJ37pgdtK7
— ANI UP/Uttarakhand (@ANINewsUP) December 19, 2022
বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে অভিযোগ করে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের তালা ভাঙার চেষ্টা করা হয় এবং নিরাপত্তারক্ষীদের ওপরে হামলা করা হয়। এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাঙচুর এবং আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। যার জেরে ক্যাম্পাসে ভয় ও নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মনে করে হামলাকারীরা ছাত্র নয়। হামলাকারীরা মোটর সাইলেকে আগুন দেওয়া ছাড়াও, এক অধ্যাপকের গাড়ির কাঁচ ভেঙেছে, জেনারেটরে আগুন দিয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে আগুন দিয়েছে। পুরো ঘটনায় পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে।
এদিকে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications