বন্যার জলে ডুবে একাধিক কয়লা খনি, প্রবল বৃষ্টিতে ব্যাহত কাজ! উৎসবের মরশুমে ব্ল্যাক আউটের পথে দেশ?
গত কয়েকদিন ধরে সংবাদ শিরোনামে দেশের কয়লা সঙ্কট! দিল্লি, পঞ্জাব সহ দেশের একাধিক রাজ্যে প্রবল বৃষ্টির কারনে কয়লা উৎপাদন ব্যহত হয়েছে। কয়লা থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে যত পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় তা অর্ধেকে এসে নেমেছে। বৃষ্টি
গত কয়েকদিন ধরে সংবাদ শিরোনামে দেশের কয়লা সঙ্কট! দিল্লি, পঞ্জাব সহ দেশের একাধিক রাজ্যে প্রবল বৃষ্টির কারনে কয়লা উৎপাদন ব্যহত হয়েছে। কয়লা থেকে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে যত পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় তা অর্ধেকে এসে নেমেছে। বৃষ্টির জেরে কয়লা উৎপাদনে যে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে তারই প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে।

ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে গুজরাট, পঞ্জাব, রাজস্থান, দিল্লি এবং তামিলনাড়ু। চলতি বছরে এই সব রাজ্যগুলিতে রেকর্ড অরিমান কয়লা উৎপাদন হওয়া স্বত্বেও এই ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা এবং যারা বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয় সেই সমস্ত সংস্থার তরফে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। মজুত থাকার কয়লার পরিমাণ এতটাই কমে গিয়েছে যে কোনও সময়ে ব্ল্যাকআউট হয়ে যেতে পারে। কার্যত মাত্র দুদিনের মতো কয়লা মজুত রয়েছে। কয়লা মন্ত্রকের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, যথেষ্ট কয়লা মজুত রয়েছে। আর কয়লা উৎপাদন ব্যাহত হলে যে অন্ধকারে ডুবে যাবে দেশ তেমনটাও নয়।
তথ্য বলছে, দেশের মোট ১৩৫ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকেই আসে দেশের ৭০ শতাংশ বিদ্যুৎ। ওই সব বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যখন ১৫ থেকে ৩০ দিনের কয়লা মজুত থাকা উচিৎ। তখন সেখানে রয়েছে মাত্র দুদিনের কয়লা। যদিও কয়লা মন্ত্রক জানাচ্ছে, প্রত্যেকদিন মজুত থাকা কয়লার পরিমাণ একটু একটি করে বাড়ানো হচ্ছে। কয়লা মন্ত্রক সূত্রে খবর, দেশে মোট চার কোটি টন কয়লা মজুত আছে। আর বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে মজুত থাকা কয়লার পরিমাণ ৭৫ লক্ষ টন। বেশির ভাগ কয়লাখনি বন্যার জলে ভাসছে বলেই এই মারাত্মক অবস্থা তৈরি হয়েছে।
তবে একাধিক রাজ্যে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। কয়লার কারনে অন্ধকারে ডুব যাওয়ার আশঙ্কা। আর সেই আশঙ্কা থেকে সতর্কবার্তা দিল্লির বিদ্যুৎমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের। তাঁর মতে, তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি কয়লা না পেলে অন্ধকার নেমে আসতে পারে। যা কয়লা রয়েছে তা খুব বেশি হলে কয়েক ঘন্টা চলতে পারে বলে মণে করা হচ্ছে।
দিল্লির বিদ্যুৎমন্ত্রী জানিয়েছেন, দিল্লির তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে কয়লার মজুত একেবারে তলানিতে। এখনই কয়লা না এলে দিল্লির বুকে অন্ধকার নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ। আর এই আশঙ্কা থেকেই কেন্দ্রকে চিঠি অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারের। দ্রুত কয়লা সরবরাহের আর্জি জানিয়ে এই চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তবে কয়লা নিয়ে মারাত্মক এক অভিযোগ করেছেন দিল্লির বিদ্যুৎমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তাঁর দাবি, কোভিডের সময় অক্সিজেনের মতোই কয়লার সঙ্কট তৈরি করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁর।
তবে উতসবের বাংলাতে তেমন কোনও আশঙ্কা নেই বলেই জানিয়েছেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস। জানানো হয়েছে যে, শুধু পুজো নয়, পরেও রাজ্যে কয়লা নিয়ে সঙ্কট হবে না। কারণ রাজ্যের তিনটি কয়লা খনিতে কাজ চলছে।












Click it and Unblock the Notifications