জিহাদি কার্যকলাপের কেন্দ্র অসম! ইমাম নিয়োগে SOP চালুর ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
কখনও বাংলাদেশ থেকে সরাসরি অসমে, না হলে পশ্চিমবঙ্গ হয়ে অসমে (assam) যাচ্ছে আলেমরা। সেখানে গিয়ে অনেকেই দেশ বিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত হয়ে পড়ছেন। ইতিমধ্যে দুই আলেমকে গ্রেফতারেরপরে নড়েচড়ে বসেছে সেখানকার প্রশাসন। অসমে
কখনও বাংলাদেশ থেকে সরাসরি অসমে, না হলে পশ্চিমবঙ্গ হয়ে অসমে (assam) যাচ্ছে আলেমরা। সেখানে গিয়ে অনেকেই দেশ বিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত হয়ে পড়ছেন। ইতিমধ্যে দুই আলেমকে গ্রেফতারের পরে নড়েচড়ে বসেছে সেখানকার প্রশাসন। অসমের মসজিদ (mosque) ও মাদ্রাসায় (madrasa) রাজ্যের বাইরে থেকে যাওয়া ধর্মীয় শিক্ষকদের সরকারি পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করার নির্দেশিকা জারি করেছে হিমন্ত বিশ্বশর্মা প্রশাসন।

নতুন নিয়ম নিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী
রাজ্যের বাইরে থেকে যাওয়া আলেমদের সম্পর্কে নতুন নিয়ম প্রসঙ্গে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছেন, যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন মসজিদের ইমাম হিসেবে কাজ করত। সেই ব্যক্তি রাজাকার ছিল বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই ব্যক্তি বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে জিহাদি নেটওয়ার্ক বাড়িয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্যে জিহাদি নেটওয়ার্ক বাড়াতে বাংলাদেশ থেকে ছয়জন অসমে প্রবেশ করেছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।
এই ছয়জনের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিশ। বাকি পাঁচজনের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ইমাম নিয়োগে এসওপি
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইমাম নিয়োগের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর চালু করা হয়েছে। কোনও ইমাম কোনও গ্রামে গেলে, তা স্থানীয় থানায় জানাতে হবে। পুলিশের খোঁজখবরের পরে সেই ব্যক্তিকে ইমাম হিসেবে নিয়োগ করা যাবে। সরকারের এই নতুন নিয়ম রাজ্যের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা সমর্থন জানাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
অসমের বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে এই নতুন নিয়ম প্রযোজ্য নয়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যাঁরা অসচমের বাসিন্দা, তাঁদের জন্য নথিভুক্তির কোনও প্রয়োজন নেই। কিন্তু যাঁরা বাইরে থেকে যাবেন, তাঁদের সরকারি পোর্টালে বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে।

জিহাদি কার্যকলাপের কেন্দ্র অসম
মুখ্যমন্ত্রী সাম্প্রতিক সময়ে মন্তব্যে করেছিলেন অসম জিহাদি কার্যকলাপের কেন্দ্র হয়ে উঠছে। তিনি জানিয়েছিলেন, দত ৫ মাসে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন আনসারুল ইসলামের পাঁচটি মডিউলকে ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বছরের মার্চ থেকে এখনও পর্যন্ত ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও মধ্য ও নিম্ন অসমের সংখ্যালঘু এলাকাগুলিতে নজরদারি রাখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

গ্রেফতার হওয়াদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারা
অসমের গোয়ালপাড়া থেকে কয়েকদিন আগে গ্রেফতার হওয়া দুই ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে মুসলিম যুবকদের জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করা এবং উপমহাদেশে আল কায়দার জাল বিস্তারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুজনের বিরুদ্ধেই ইউএপিএ ধারার অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ধরনের আরও গ্রেফতারির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। গ্রেফতার হওয়া ওই দুই ব্যক্তি হলেন তিনকোনিয়া শান্তিপুর মসজিদের ইমাম আবদুস সোবাহান
এবং মাটিয়া থানার টিলাপাড়া মসজিদের ইমাম জালালউদ্দিন।












Click it and Unblock the Notifications