হিমাচল ও উত্তরাখণ্ডে মেঘভাঙা বৃষ্টি! ঘরবাড়ি-রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি, এখনও জারি অরেঞ্জ অ্যালার্ট
উত্তর ভারতের দুই রাজ্যে মেঘভাঙা বৃষ্টি। দুই রাজ্যে এই মেঘভাঙা (Cloud burst) বৃষ্টিতে যেমন প্রাণহানী হয়েছে, ঠিক তেমনই বাড়িঘর-রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হিমাচলের রোহরু এলাকায় একই পরিবারের দুজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে ওই পরিবারের একজন এখনও নিখোঁজ। তবে উত্তরাখণ্ড থেকে প্রাণহানির কোনও খবর নেই।
আবহাওয়া দফতরের তরফে হিমাচলের চাম্বা, কাংড়া, কুলু, মান্ডি, সিমলা, সোলান, সিরমাউর এবং বিলারপুর জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসের সঙ্গে অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করেছে। এছাড়া উনা, হামিরপুর, স্ফীতি ও কিন্নরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের এক কর্তা জানিয়েছেন, ২৪ ঘন্টায় হিমাচল প্রদেশের সিরমাউর জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ ১৯৫ মিমি।

অন্যদিকে এদিন উত্তরাখণ্ডের গাংনানির কাছে রাস্তার ওপরে ধ্বংসস্তূপের (Cloud burst)কারণে যমুনোত্রী জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এই অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন শনিবার ভোররাত আড়াইটের দিকে মেঘভাঙা বৃষ্টি শুরু হয়।
এই বৃষ্টিতে উত্তরাখণ্ডে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দুটি কলেজ ও বেশ কয়েকটি হোটেল ভেসে গিয়েছে। রাজতার শহরে দেওয়াল ভেঙে পড়লেও পাঁচ শ্রমিক বরাতজোরে প্রাণে বেঁচেছেন। বিস্তীর্ণ এলাকার ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনে প্রশাসন এবং এসডিআরএফের দল পৌঁছেছে। তারা অনেকক্ষেত্রে আগেভাগেই সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে মানুষজনকে সরিয়ে নেয়।

এদিকে মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে (Cloud burst) ১ দিনের জন্য যমুনোত্রী ধান যাত্রা বন্ধ রাখা হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের নিরাপদে থাকার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। দুর্যোগের কারণে এসডিআরএফ, দমকল এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শুক্রবার হিমাচল প্রদেশের কিছু অংশে হাল্কা থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে। রাজ্য সরকারের তরফে ২৪ জুন বর্ষা শুরুর পর থেকে রাজ্যে ৪৯৮৬ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করে কেন্দ্রের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications