কয়লা পাচার-কাণ্ডে নয়া মোড়! লালা ঘনিষ্ঠ গুরুপদ মাজিকে গ্রেফতার করল ইডি
কয়লা পাচার-কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। লালা ঘনিষ্ঠ গুরুপদ মাঝিকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় গুরুপদ মাঝিকে জেরা করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে গ্রেফতার
কয়লা পাচার-কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। লালা ঘনিষ্ঠ গুরুপদ মাজিকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় গুরুপদ মাঝিকে জেরা করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু লাগাতার জেরার মুখে অসহযোগিতার অভিযোগ। আর সেই অভিযোগে গ্রেফতার করা হল লালা ঘনিষ্ঠ ওই ব্যবসায়ীকে।

কয়লা পাচার-কাণ্ডে আজ বৃহস্পতিবার তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লাকে তলব করেছে সিবিআই। আর এর মধ্যেই ইডির হাতে গুরুপদ মাজির গ্রেফতার যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
জানা যাচ্ছে, গত তিনদিন ধরে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীকে জেরা করছিলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তদন্তকারী আধিকারিকরা। বেশ কিছু নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর তাঁর কাছে জানতে চাইছিলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। বিশেষ করে কীভাবে কয়লা পাচার চলছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা।
শুধু তাই নয়, কোথায়, কত লালার সম্পত্তি, কী ব্যবসা? এই সমস্ত বিষয়েই গুরপদ মাজির কাছে তথ্য জানতে চান ইডির আধিকারিকরা। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে সঠিক তথ্য লালা ঘনিষ্ঠ ওই ব্যবসায়ী দিচ্ছিলেন না বলেই অভিযোগ। তদন্ত প্রক্রিয়াতে লাগাতার অসহযোগিতা করছিলেন বলেই ইডি সূত্রের খবর। আর এরপরেই লালা ঘনিষ্ঠ ওই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয় বলে অভিযোগ।
বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে কয়লা কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার করা হয় লালা ঘনিষ্ঠ চার ব্যবসায়ীকে। আসানসোল, বাঁকুড়া সহ রাজ্যের একাধিক জায়গাতে তল্লাশি চালায় সিবিআই।
আর সেই তল্লাশিতে গ্রেফতার করা হয় লালা ঘনিষ্ঠ চার ব্যবসায়ীকে। গ্রেফতার করা হয় নারায়ণ নন্দ, গুরুপদ মাজি, নিরোদ মণ্ডল ও জয়দেব মণ্ডলকে। এবার কয়লায় আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুপদ মাজিকে জেরা করে ইডি। আর এরপরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।
অন্যদিকে, এই মামলাতেই তলব করা হয়েছে টিএমসি বিধায়ক সওকত মোল্লাকে। তাঁকে পাসপোর্ট সহ হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এমনকী বিধায়কের নামে কোনও কম্পানি থাকলে সেটার যাবতীয় তথ্য নিয়ে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফ থেকে। আগামীকাল শুক্রবারই তাঁকে সিবিআই দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
তবে এই সিবিআই তলব ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক। তৃণমূল বিধায়কের দাবি, ইচ্ছাকৃত ভাবে এই মামলাতে তাঁকে জড়ানো হচ্ছে। যেখানে নাকি এই বিষয়ে কিছুই জানা নেই বলে দাবি করেছেন সওকত সাহেব। তৃণমূলের তরফেও প্রতিহিংসার রাজনীতি'র অভিযোগ তোলা হয়েছে। যদিও বিজেপির দাবি, অন্যায় করলে সবাইকেই সিবিআই ডাকবে।












Click it and Unblock the Notifications