গণধর্ষণ করে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে জ্যান্ত পুড়িয়ে খুন করল স্কুলের দুই দাদা-সহ তিন জন
নৃশংসতা কোথায় যেতে পারে তা এই ঘটনা ফের একবার প্রমাণিত করল। আর সেই সঙ্গে ফের একবার খেয়াল করিয়ে দিল মেয়েদের উপর হওয়া লাগাতর সব নৃশংস ঘটনাকে।
নৃশংসতা কোথায় যেতে পারে তা এই ঘটনা ফের একবার প্রমাণিত করল। আর সেই সঙ্গে ফের একবার খেয়াল করিয়ে দিল মেয়েদের উপর হওয়া লাগাতর সব নৃশংস ঘটনাকে। স্কুল থেকে ফেরার পর বাড়িতে একাই ছিল পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। আর সেই সুযোগেই তার ঘরে ঢুকে পড়ে তিন জন ছেলে। এদের মধ্যে ২ জন আবার ওই ছাত্রীরই স্কুলের উঁচু ক্লাসের ছাত্র। আর অন্যজন ছাত্রীর বাড়ির এলাকারই এক তরুণ।

পুলিশ সুত্রে খবর, ঘরের দরজা বন্ধ করে পষ্ণম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে তিন জন। এরপর অচৈতন্য হয়ে পড়া মেয়েটির গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায় ধর্ষকরা। বাড়ির লোক ঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে ছুটে আসেন। বন্ধ ঘরের দরজা ভেঙে উদ্ধার করা হয় অগ্নিদগ্ধ মেয়েটিকে। আগুনে ততক্ষণে ওই ছাত্রীর শরীরের ৯০ শতাংশই ঝলসে গিয়েছিল। হাসপাতালে যেতে যেতেই ছাত্রীটি বাড়ির লোককে ধর্ষণের অভিযোগ করে। এবং ঘটনার পিছনে থাকা তার স্কুলে দুই সিনিয়র ছাত্র এবং এলাকার তরুণ জাকির হোসেনের নাম বলে দেয়।

হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায়নি পষ্ণম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। অসমের এই ঘটনা প্রকাশ্য়ে আসার পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে শুক্রবার বিকেলে এই ঘটনাটি ঘটে গুয়াহাটি থেকে ১২২ কিলোমিটার দূরে নগাঁও জেলার বাটাদ্রাভা জেলার লালন গাঁও-এ। অভিযুক্ত দুই নাবালক ছাত্রকে গ্রেফতারের পর তাদের জুভেনাইল বোর্ডের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, মূল অভিযুক্ত জাকির হুসেন এখনও নিখোঁজ।

নগাঁও-এর পুলিশ সুপার শঙ্কর রাইমেধি জানিয়েছেন, 'হাসপাতালে ওই ছাত্রীকে দেখতে গিয়েছিলাম। যন্ত্রণায় রীতিমতো কাতরাচ্ছিল সে। কথা বলতেও কষ্ঠ হচ্ছিল।' তবে, ওই বালিকা মৃত্যুর আগে যে বয়ান দিয়ে গিয়েছে তা রেকর্ড করে রাখা হয়েছিল। আর তার ভিত্তিতেই দু'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, বলে জানিয়েছেন, পুলিশ সুপার। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান অভিযুক্তরা স্থানীয় এবং পরিচিত হওয়ায় বালিকাটি সরল বিশ্বাসে তাদের ঘরে ঢুকতে দিয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications