হনুমান জয়ন্তীর মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘাত দিল্লিতে, খোঁজ নিলেন অমিত শাহ
নতুন করে উত্তেজনা! হনুমান জয়ন্তীর মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘাত। আর তা ঘিরেই উত্তেজনা দিল্লির জহাঙ্গীরপুরি এলাকাতে। শনিবার দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানী। একে অপরের দিকে ইটবৃষ্টির অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে জানা
নতুন করে উত্তেজনা! হনুমান জয়ন্তীর মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘাত। আর তা ঘিরেই উত্তেজনা দিল্লির জহাঙ্গীরপুরি এলাকাতে। শনিবার দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজধানী। একে অপরের দিকে ইটবৃষ্টির অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হনুমানজয়ন্তী উপলক্ষে হওয়া একটি শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনার সূত্রপাত।

সংঘর্ষের জেরে গোটা এলাকাতে পরিস্থিতি থমথমে। শনিবার এই ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দিল্লি পুলিশের বিশাল টিম। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। একাধিক অফিসার উপস্থিত রয়েছেন সেখানে।
নর্দান জোনের স্পেশাল পুলিশ কমিশনার দিপেন্দ্র পাঠক জানিয়েছেন, দিল্লি পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা উপস্থিত রয়েছেন ঘটনাস্থলে। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় ইতিমধ্যে ১০ জনের একটি তদন্তকারী দলও গঠন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, এদিন শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বাদানুবাদ তৈরি হয়। আর এরপরেই তা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। আর এরপরেই রণক্ষেত্র আকার নেয় এলাকা। একাধিক সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি একাধিক বাইক-গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনীও ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীর আহত হওয়ার খবরও সামনে এসেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দিল্লির জহাঙ্গীরপুরি'র এই ঘটনার দিল্লির ১৪টি জেলায় জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ এবং পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের এই বিষয়ে সদা সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। শুধু দিল্লির জহাঙ্গীরপুরি নয়, একাধিক জায়গাতে শোভাযাত্রা বেরনোর কথা। সেগুলিতে বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে এই ঘটনার পর পুলিশের তরফে শান্তি বজায় রাখার আবেদন করা হয়েছে। তবে ঘটনার পরেই পুরো বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দোষীদের কোড়া শাস্তির নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। অন্যদিকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও মানুষকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
তাঁর মতে, দেশে শান্তি বজায় না থাকলে কখনই উন্নতি করতে পারেনা। দিল্লিতে শান্তি বজায় রাখার বড় দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের। আর সেই দায়িত্ব নেভানোর কথা বলেন কেজরিওয়াল। তবে এই ঘটনার রেশ যাতে উত্তরপ্রদেশে যাতে না ছড়িয়ে পড়ে সেদিকে তাকিয়ে সে রাজ্যেও অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications