'বাইরের প্রভাব থেকে বিচাব্যবস্থাকে মুক্ত করতে হবে', বিতর্কের মাঝে মুখ খুললেন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়
কোনও ব্যবস্থাই নিখুঁত নয়, যা হাতের কাছে রয়েছে সেটাই সেরা। এমনটাই মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। কলেজিয়াম ব্যবস্থা যেভাবে বিচারক-বিচারপতিদের নিয়োগ করে তা নিয়ে বলতে গিয়েই নিজের মত দিয়েছেন তিনি। এই বিষয়টি বেশ কিছুদিন ধরেই সরকার ও বিচারব্যবস্থার মাঝে বিরোধের উৎসেচকের কাজ করছে।

একইসঙ্গে প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, বিচারব্যবস্থার স্বতন্ত্রতা বজায় রাখতে হলে বাইরের প্রভাব থেকে তাকে রক্ষা করতে হবে। প্রধান বিচারপতি বলেছেন, কোনও ব্যবস্থাই নিখুঁত নয়, তবে এটাই সেরা ব্যবস্থা আমাদের কাছে। ফলে বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা বজায় রাখতে তাকে বাইরের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে হবে।
কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এক আলোচনা সভায় মন্তব্য করেন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের একাংশ বিরোধী দলের মতো আচরণ করে দেশবিরোধী আচরণ করছেন। সরকার বিচারব্যবস্থার ক্ষতি করছে, এটা প্রমাণে তাঁরা ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠেছেন।
রিজিজু বলেন, যারা দেশের বিরুদ্ধে গিয়েছেন তাদের কড়া মূল্য চোকাতে হবে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রিজিজু বিচারপতিদের একাংশকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান। তিনি বলেন, বিরোধী দলগুলির মতো অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদের একটি অংশ বিচারব্যবস্থাকে সরকারের বিরুদ্ধে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।
কলেজিয়াম সিস্টেম প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলেছেন, কংগ্রেসের সময়ে বিচারব্যবস্থায় চূড়ান্তভাবে হস্তক্ষেপ হয়েছে। ফলে কলেজিয়াম তৈরি করতে হয়েছে। আমাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট। যতদিন কলেজিয়াম সিস্টেম রয়েছে, ততদিন তা মেনে চলতে হবে।
ভারতের সংবিধানও সরকারকে এই বিষয়ে ক্ষমতা প্রদান করেছে বলে মনে করিয়ে দিয়েছেন আইনমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। এর পাশাপাশি ব্রিটেনে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী যে মন্তব্য করেছেন তারও কড়া সমালোচনা করেছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী। সেই বক্তব্যকে দেশবিরোধী বলতেও ছাড়েননি।
রাহুল সম্প্রতি বিদেশে গিয়ে কেন্দ্রীয় শাসক দলের সমালোচনা করে বলেন, বিরোধীদের দেশে চুপ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তারই বিরোধিতা করে রিজিজু বলেছেন, যে ব্যক্তি সবচেয়ে বেশি বক্তব্য রাখেন, তিনিই বলছেন, তাঁকে বলতে দেওয়া হচ্ছে না। এই ধরনের বক্তব্য কখনই মেনে নেওয়া যায় না বলে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রিজিজু মত দিয়েছেন।
কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রীর কথায়, কোনও বিকল্প ভালো ব্যবস্থা যতদিন না তৈরি হয়, ততদিন কলেজিয়ামকেই মান্যতা দিয়ে চলবে সরকার। বিচারপতিদের নিয়োগ কখনই জুডিশিয়াল অর্ডার মেনে করা সম্ভব নয়। প্রশাসনিকভাবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
-
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট












Click it and Unblock the Notifications