মোদী সরকার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে শহর! এডিআর-এর সমীক্ষায় চমকপ্রদ তথ্য
২০১৯-এর ফাইনাল যুদ্ধ এখন শুরুর অপেক্ষায়। ক্ষমতায় ফিরে আসতে যেমন মরিয়া বিজেপি, তেমনই কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি চাইছে মোদী-রাজের অবসান ঘটাতে।
২০১৯-এর ফাইনাল যুদ্ধ এখন শুরুর অপেক্ষায়। ক্ষমতায় ফিরে আসতে যেমন মরিয়া বিজেপি, তেমনই কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি চাইছে মোদী-রাজের অবসান ঘটাতে। ফের ক্ষমতায় ফিরে আসতে। এই উত্তেজনার মধ্যেই শহুরে ভোটার-রা কোনদিকে, তাঁদের মন বোঝার চেষ্টা করল অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস।

বিজেপির আশায় জল
অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস বা এডিআর-এর রিপোর্ট বিজেপির আশায় জল ঢেলে দিল। শহুরে ভোটাররা বিজপি থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছেন, এমনই প্রবণতা উঠে এসেছে এডিআর-এর সমীক্ষায়। শহুরে ভোটারদের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে এমনই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে এডিআর।

হতাশা শহরের ভোটারদের
শহরের ভোটারদের কাছে ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। এই সমীক্ষায় শহরে ভোটাররা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং হতাশা ব্যক্ত করেছেন মোদী সরকারের প্রতি। শহরের ভোটাররা গড়ের নীচে রেটিং দিয়েছেন মোদী সরকারকে। স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষা, কর্মসংস্থান থেকে স্থানীয় পরিষেবা- সব কিছুতেই পিছিয়ে বিজেপি, মনে করছে শহরের একটা বড় অংশ।

কর্মসংস্থানে ডাহা ফেল
এই সমীক্ষায় ৫১.৬০ শতাংশ মানুষ বলছেন কর্মসংস্থান ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই ক্ষেত্রে মোদী সরকার কিছু করতে পারেনি। শুধু ভুরি ভুরি প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছে। চাকরির সুযোগ তৈরি হয়নি সে অর্থে। কোথায় গেল বছরে দু-কোটি চাকরি?

পরিষেবায় বিপণ্ণ
এছাড়া ৩৯.৪১ শতাংশ মানুষ মনে করেন স্বাস্থ্য পরিষেবাও বিশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর ৩৪.১৪ শতাংশ মানুষ মনে করেন, জল আর দূষণ সমস্যা নাকাল করে ছাড়ছে। তাই এই বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হবে আসন্ন ভোটে। কেন্দ্রের সরকার এই দুই ক্ষেত্রেও বিশেষ কিছু করতে পারেনি, যা উল্লেখযোগ্য।












Click it and Unblock the Notifications