বিহারে এনডিএতে ভাঙন প্রায় নিশ্চিত, বিজেপিকে কোন 'আল্টিমেটাম' চিরাগ পাসোয়ানের
সামনেই বিহার বিধানসভা নির্বাচন। এদিকে, এনডিএ-তে সবকিছু স্বাভাবিক নেই। জোটের শরিক জেডিইউ ও এলজেপি-র মধ্যে সংঘাত বেড়েছে। সূত্রের খবর, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করে আল্টিমেটাম দিলেন চিরাগ পাসোয়ান। এর আগে এলজেপি সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে চিরাগ পাসোয়ান জেডিইউ-র বক্তব্য নিয়ে সমস্ত সদস্য অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

চিরাগের 'আল্টিমেটাম'
কয়েকদিন আগেই অনুষ্ঠিত হয় এলজেপি সংসদীয় বোর্ডের বৈঠক। এর নেতৃত্বে ছিলেন এলজেপি-র জাতীয় সভাপতি তথা জামুইয়ের সাংসদ চিরাগ পাসোয়ান। তিন ঘণ্টা ধরে বৈঠকটি চলে। এই বৈঠকে দল ১৪৩টি আসনের জন্য প্রার্থীদের একটি তালিকা প্রস্তুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যেখানে বিজেপি প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। খুব তাড়াতাড়ি এই তালিকাটি কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ডের কাছে পেশ করা হবে। চিরাগের স্পষ্ট বক্তব্য। খুব শীঘ্রই যদি আসন সমঝোতা না হয়, তবে এই ১৪৩টি আসনেই লড়বে তাঁর দল।

এলজেপি-র উচিত জেডিইউ-র বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়া
সূত্রের খবর, সংসদীয় বোর্ডের সদস্যরা বলেছেন যে, জেডিইউ নেতারা প্রচার করছেন যে এলজেপি-র সঙ্গে জোট নেই। এমন পরিস্থিতিতে এলজেপি-র উচিত জেডিইউ-র বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়া। বোর্ডের সদস্যরা বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের নামে রাজ্যের জনগণের মধ্যে কোনও উৎসাহ নেই। সেক্ষেত্রে নীতিশের নেতৃত্বে এলজেপি-র নির্বাচন না করাই উচিত। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার বলেছিলেন যে, করোনা আবহে নির্বাচন না হওয়া উচিত। এই বিষয়টি নিয়ে জনগণ ক্ষুব্ধ।

বিহার ফার্স্ট-বিহারি ফার্স্ট ভিশন
এদিকে 'বিহার ফার্স্ট-বিহারি ফার্স্ট ভিশন' নথিটি এনডিএ-র ঘোষণাপত্রে অন্তর্ভুক্ত করতে চাযন চিরাগ। পাশাপাশি তাঁর দাবি, রাজ্যপালের কোটা থেকে যে ১২ জন বিধায়ককে আইনসভা পরিষদে মনোনীত করতে হয়, সেখানে তারা ২টি আসন চাইছেন। এই মুহুর্তে, বিজেপি দৃঢ়ভাবে এলজেপি-র সঙ্গে রয়েছে। তবে এলজেপি-র দাবি অগ্রাহ্য করছে জেডিইউ। সে ক্ষেত্রে মনে করা হচ্ছে, বিহারে এলজেপি এনডিএ-র থেকে আলাদা হয়ে বিধানসভা নির্বাচন লড়তে পারে।

মাঝির আগমনে ক্ষুব্ধ চিরাগ
অন্যদিকে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং হিন্দুস্তানি মোর্চার জাতীয় রাষ্ট্রপতি জিতন রাম মাঝিকে এনডিএ-তে নিয়ে এসেছেন নীতিশ কুমার। এই কারণে , চিরাগ পাসওয়ানও রেগে আছেন বলে জানা গিয়েছে। জেডিইউ এবং এলজেপি-র মধ্যে দ্বন্দ্ব যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মেটার সম্ভাবনা এখন কম। এর আগে চিরাগ পাসওয়ান বহুবার নীতীশের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। জেডিইউ-র তরফ থেকেও বহুবার পালটা আক্রমণ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications