মোদীকে অস্বস্তিতে ফেলে চিনা আগ্রাসন নিয়ে বিস্ফোরক নথি ফাঁস প্রতিরক্ষামন্ত্রকের! তোলপাড় শুরু
বিতর্ক চলছিলই। আর সেই বিতর্কের অবসান করে কার্যত এদিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক স্বীকার করে নিয়েছে, যে ভারতের মাটিতে পা রেখেছিল চিন। বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য বহুদিন ধরেই চেয়ে আসছিল বিরেধীরা। এবার কার্যত সমস্ত বিতর্কের ধোঁয়াশা কাটিয়ে দিল রাজনাথ সিংয়ের মন্ত্রক।

প্রতিরক্ষামন্ত্রক কী জানিয়েছে?
প্রতিরক্ষামন্ত্রকের ওয়েবসাইটের একটি নথি জানান দিচ্ছে, লাদাখে হট স্প্রিং এর কাছে কুকগাং লানা অর্থাৎ পিপি ১৫, গোগরা (পিপি ১৭) ও উত্তর প্যাংগংয়ে মে মাসের ১৭ থেকে ১৮ তারিখে চিনের সেনা পা রাখে। ফলে এই এলাকাগুলোতে যে চিন অনুপ্রবেশ করেছিল, তা স্পষ্ট করল বিজেপি সরকার।

গালওয়ানে পদার্পন ড্রাগনদের
নথিতে জানানো হয়েছে যে মে মাসের ৫ তারিখ গালওয়ানে পা রাখে চিনের লালফৌজ। এই বার্তার সঙ্গেই কার্যত বিরোধীদের একাংশের দাবি খানিকটা মান্যতা পেল যে চিনের সেনা ভারতে পা রেখেছিল। আর তা ৫ মে থেকে শুরু হয়েছে।

চিন করোনার সুযোগ নিয়েছে
উল্লেখ্য, দেখা গিয়েছে, যে সীমান্তে চিন যে সময় থেকে পা রাখে, সেই সময় থেকেই ভারতে করোনার প্রবল দংশন ছিল। আর করোনার দংশনের সুযোগ নিয়ে ভারতে পা রাখে চিন। এটা তাদের গেমপ্ল্যানের অংশ ছিল।

আরও বিস্ফোরক তথ্য
নথি বলছে , চিনের সেনার একটি অংশ ভারতে প্রবেশ করে। যা আগের আগ্রাসনের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এই বিষয়ে রাজনাথ সিং ও এর আগে বক্তব্য রাখেন। যা মোদীকে অস্বস্তিতে ফেলে। যদিও পরে তার ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রক জানায় যে , প্রতিরমন্ত্রীর বক্তব্যের যেন ভুল ব্যাখ্যা না করা হয়।

মোদী কী বলেছিলেন?
মোদী এর আগে এক টিভি সম্প্রচারে জানিয়েছিলেন যে , একচুল জমিতেও বাইরের কেউ পা রাখেনি। কেউ অনুপ্রবেশ করেনি লাদাখে। পরে যার ব্যাখ্যাও দেয় প্রধানমন্ত্রীর দফতর। আর সেই কথা ধরেই বিতর্কের ঝড় ওঠে। কংগ্রেস সহ বিরোধীরা প্রশ্ন তোলে যে মোদী কী মিথ্যাচার করছেন?

রাহুলের খোঁচা
এদিকে, তোলপাড় করা এই নথি ঘিরে ভারতীয় রাজনীতিতে উথাল পাতাল শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাহুল গান্ধী প্রশ্ন তোলেন যে , তাহলে কেন জেনে শুনে নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে মিথ্যা কথা বলছিলেন?












Click it and Unblock the Notifications