চিনের সেনা পাল্টা গালওয়ানে ফিরতে পারে! সতর্কতায় কোনও কসরত ছাড়ছে না ভারত
১৫ জুন ভারত দেখেছে যুদ্ধবাজ চিনের একটি ঘৃণ্য রূপ। ২ পা পিছিয়ে গেলে জিনপিংয়ের দেশ যে ১৭ পা এগিয়ে আসতে পারে,তা গোটা বিশ্ব জানে। এদিকে, সোমবারের সমঝোতার পর থেকে ২ কিলোমিটার পিছিয়ে যাচ্ছে চিনের সেনা। তাদের ক্যাম্প পিছিয়ে যাওয়ার দিকে কড়া নজর রেখেছে ভারত। যেকোনও মুহূর্তে চিন ফের একবর ফিরে আসতে পারে বলে আশঙ্কা।

সহজে হাল ছাড়বে চিন, আশঙ্কা
সীমান্তের এপারেই চিনের সেনা রয়েছে। এই ভাবনা দিয়ে ভারতীর সেনার ওপর খানিকটা মানসিক চাপ তৈরির চেষ্টায় বেজিং।
এতে মানসিক চাপ বাড়িয়ে যুদ্ধনীতির একটা দিক জিতে নেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যতক্ষণ না চিনের সেনার অবস্থান বদলের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে ততক্ষণ চিনকে বিশ্বাস করা উচিত নয়।

টেন্ট খুলতে শুরু করে চিন
চিনের সেনা কী করছে , সেই গতিবিধির ওপর কডা নজর রেখেছে ভারত। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গিয়েছে, বাফার জোন রাখতে চিনের সেনা নির্দিষ্ট কথা মতো, পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪ থেকে টেন্ট আর অস্থায়ী কিছু নির্মাণ সরাচ্ছে। যা সরিয়ে ফেলার শেষ পর্যন্ত ভারত নজর রাখবে। তবে সেখানে কিছু গাড়ির অবস্থান লক্ষ্য করে , খানিকটা সতর্ক ভারতীয় সেনা।

ফিরতে পারে চিন!
বিশেষজ্ঞর বলছেন এই পদক্ষেপ খুবই ছোট পদক্ষেপ। চিন এখনও পর্যন্ত ২ কিলোমিটারের মধ্যে ১.৫ কিলোমিটার পিছনে গিয়েছে। ভারতও পিছিয়েছে। অনেককেরই দাবি, চিন ফের হমলায় উস্কানি দিতে ফিরে আসতে পারে। আর সেদিকেই নজর দিল্লির।

চিনের পুরনো নীতি
২০১৩ সালে চিনের মসনদে আসেন জি জিনপিং। এরপর থেকেই আগ্রাসী বিদেশ নীতির কারণে চিন ভারতকে নিশানা করতে থাকে। ২০১৪, ২০১৫ সালে লাদাখ সীমান্তে ছোটখাটো সংঘর্ষ দেখা দেয়। ২০১৬ সালে লালফৌজ ও চিনের ২ টি হেলিকপ্টার বারাহোতি এলাকায় ঢুকে পড়ে। ২০১৭ সালেও হালকা আস্ফালন তিন দেখিয়েছে। তেমন ভাবেই এবারেও একই পন্থায় চিন লাদাখে ভারতের নির্মাণ কাজে বারবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবে বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের।












Click it and Unblock the Notifications