পাকিস্তানের কাছে চিনের df 17 missile? S-400-এর মতো মিসাইল সিস্টেম নাকি এর কাছে 'শিশু'
ভারতের ভয়ে কাঁপছে চিন-পাকিস্তান! প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে রাজপথে গোটা বিশ্বের সামনে শক্তিপ্রদর্শন করেছে ভারত। একের পর এক সমরাস্ত্র তুলে ধরেছে ভারতীয় সেনা। K-9 বজ্র ট্যাঙ্ক থেকে পিনাকা রকেট লঞ্চারের শক্তি দেখেছে বিশ্ব। আ
ভারতের ভয়ে কাঁপছে চিন-পাকিস্তান! প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে রাজপথে গোটা বিশ্বের সামনে শক্তিপ্রদর্শন করেছে ভারত। একের পর এক সমরাস্ত্র তুলে ধরেছে ভারতীয় সেনা। K-9 বজ্র ট্যাঙ্ক থেকে পিনাকা রকেট লঞ্চারের শক্তি দেখেছে বিশ্ব। আর তাতেই ঘুম উড়েহে চিন-পাকিস্তানের।
কার্যত ভারতের ভয়ে চিন থেকে নয়া howitzer cannon এবং মাল্টি ব্যারোল রকেট লঞ্চার হাতে পেল পাকিস্তান। বিষয়টির উপর কড়া নজর রাখছে ভারত।

দ্রুত শত্রুপক্ষের উপর হামলা করতে সক্ষম
চিনের তৈরি নয়া এই howitzer cannon খুব দ্রুত শত্রুপক্ষের উপর হামলা করতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, এই সমরাস্ত্র ট্যাঙ্কের চেসিসের উপর তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে চিনের রাষ্ট্রায়াত্ব সমরাস্ত্র তৈরির সংস্থা norinko পাকিস্তানকে AR-1 300 এমএম মাল্টি ব্যারল রকেট লঞ্চার দিয়েছে। সামরিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ভারতের হাতে থাকা পিনাকা রকেট লঞ্চারকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে চিনের তৈরি AR-1 300। আর তা করতেই চিন পাকিস্তানকে এই অস্ত্র দিয়েছে বলে দাবি।

চিন এবং পাকিস্তানের মধ্যে এই অস্ত্রডিল ৫১ কোটি ডলারের
প্রথম দফায় এই সমরাস্ত্রগুলি হাতে পেয়েছে পাকিস্তান। চিন এবং পাকিস্তানের মধ্যে এই অস্ত্রডিল ৫১ কোটি ডলারের। ভারত-চিন সীমান্ত জুড়ে ব্যাপক সেনা বাড়িয়েছে বেজিং। হাইপারসনিক মিসাইল থেকে শুরু করে এস-৪০০ এর মতো অত্যাধুনিক মিসাইল মোতায়েন করা হয়েছে। সেখানে দাঁড়িয়ে এবার পাকিস্তানকেও এহেন অস্ত্র তুলে দিয়ে সুকৌশলে ভারতের চাপ বাড়াতে চায় বেজিং। যদিও চিনের থেকে পাওয়া এই সিস্টেম কোথায় মোতায়েন করবে সে বিষয়ে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানানো হয়নি।

পাকিস্তানকে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে বেজিং
পাকিস্তানকে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে বেজিং। ১৯৯০ সালেও চিন পাকিস্তানকে পরমানু শক্তি বানাতে সাহায্য করেছিল। হিন্দুস্থান টাইমসে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, চিন এবং পাকিস্তানের মধ্যে ২০১৯ সালে একটি চুক্তি হয়েছিল। আর সেই মতোই চিন 236 SH-15 155 mm howitzer cannon এবং AR-1 হেভি রকেট লঞ্চার দেবে। এছাড়াও অনেক দূরে থাকা শত্রুকে টার্গেট করার গুলির প্রযুক্তিও চিন পাকিস্তানকে ওই চুক্তি অনুযায়ী দেবে। প্রযুক্তি এই কারনেই দেবে যাতে পাকিস্তান ওই গুলি নিজেই তৈরি করতে পারে।

ডিএফ-১৭ হাইপারসোনিক মোবাইল মিসাইল
চিন পাকিস্তানকে বিভিন্ন ভাবে শক্তিশালী তৈরি করতে চাইছে। সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পাকিস্তান সেনাকে শক্তিশালী করে ভারতকে এই দিকে ব্যস্ত রাখার কৌশল নিয়েছে কমিউনিস্ট চিন। এমনও জানা যাচ্ছে যে, চিন পাকিস্তানকে ডিএফ-১৭ হাইপারসোনিক মোবাইল মিসাইল পর্যন্ত দিয়েছে। এই মিসাইল ভারতের এস-৪০০ এর মতো সামরিক অস্ত্র ডিটেক্ট করতে পারবে না। এই মিসাইলের রেঞ্জ ১৯৫০ কিমি পর্যন্ত আঘাত করতে পারে। শুধু তাই নয়, শব্দের থেকেও পাঁচ গুণ বেশি শক্তিতে শত্রুকে আঘাত করতে পারে এটি।












Click it and Unblock the Notifications