ভারতে চিনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গোয়েন্দাদের 'রেড ফ্ল্যাগ' ! বেজিংয়ের গুপ্তচরবৃত্তি দিল্লির স্ক্যানারে
মোদী সরকার শুধুমাত্র চিনের ৫৯ টি অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না। সম্ভবত আরও বড়সড় পদক্ষেপ এবার মোদী প্রশাসনের হাত ধরে আসতে চলেছে। যা চিনের অর্থনৈতিক 'লাইফলাইন ' স্তব্ধ করে দিতে পারে। এমনই আশঙ্কা উঠে আসছে দিল্লির এক সাম্প্রতিক হাইপ্রোফাইল বৈঠকের পর।

গোয়েন্দাদের 'রেড ফ্ল্যাগ' -এ কী ?
উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই দিল্লিতে একটি হাইপ্রোফাইল বৈঠক সম্পন্ন হয়। সেখানে দিল্লির তাবড় আমলাদের সঙ্গে গোয়েন্দারা ছিলেন। আর গোয়েন্দা বিভাগের তরফেই এবার চিনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। যে সমস্ত ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চিনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যোগ রয়েছে, এবার তা গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে।

কোন বিষয় নিয়ে প্রশ্ন
গোয়েন্দাদের দাবি, বহু ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চিনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মৌ স্বাক্ষরিত হয়ে রয়েছে। তারা যৌথভাবে ভারতের বাজারে ব্যবসায়িক দিকটিও জোরদার করছে। তবে এমন বহু ব্যবসায়িক মৌ স্বাক্ষরের আগে উপযুক্ত অনুমতি পত্র একাধিক প্রতিষ্ঠান নেয়নি। ফলে সন্দেহের নজরে রয়ে যাচ্ছে সেইসমস্ত প্রতিষ্ঠান।

শিক্ষা ক্ষেত্রে চিনের ঘুঁটি সাজানোর ছক
এক সর্বভারতীয় সংবাদমধ্যেমের খবর অনুযায়ী, শিক্ষা ক্ষেত্রে চিন কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউটের হাত ধরে হান চাইনিজ ভাষা বিস্তারে সচেষ্ট হয়। এর নেপথ্যে তিনা সরকারের ফান্ডিং রয়েছে। রয়েছে চিনের কমিউনিস্ট পার্টির সরাসরি যোগাযোগ। আর এই যোগাযোগকেই নজরে রাখছে দিল্লি। বিষয়টি নিয়ে সন্তুষ্ট নয় দিল্লি। কারণ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

একাধিক দেশে নজরে চিন
চিনের এই কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের বিভাগ একাধিক দেশে রয়েছে। আর সেই সমস্ত দেশেই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গোয়ান্দাদের স্ক্যানারে রয়েছে। বহু গেশেরই দাবি, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে চিন গুপ্তচরবৃত্তি করছে। এছাড়াও
চিন এমন সমস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধি করছে বলেও মতামত অনেকের। ইউকে, কানাডা, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, সুইডেনের মতো দেশকে এই চিনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিরক্ষাগত বিপাকে ফেলেছে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications