আকাশপথে অগ্নিশেল, চিন-পাকিস্তানকে চাপে রেখে সফল উৎক্ষেপণ পারমাণবিক মিসাইল অগ্নি-প্রাইমের
আকাশপথে অগ্নিশেল, চিন-পাকিস্তানকে চাপে রেখে সফল উৎক্ষেপণ পারমাণবিক মিসাইল অগ্নি-প্রাইমের
একদিকে যখন গোটা দেশের পাশাপাশি করোনায় কাবু হয়েছে গোটা বিশ্ব। সেই প্রেক্ষাপটেও নিজেদের সীমান্ত আগ্রসন বজায় রেখেছে চিন-পাকিস্তান। অন্যদিকে দুই দেশকেই মুখতোড় জবাব দিতে গত দুই কয়েক বছরে সামরিক শক্তি অনেকটাই বাড়িয়েছে ভারত। সেই সঙ্গে সমরাসজ্জাতেও এসেছে অভিনবত্ব। এবার শত্রুর শিরদাঁড়ায় ঠাণ্ডা স্রোত বইয়ে দিয়ে ভারতে সমর ঘাঁটিতে নতুন সদস্য হিসাবে যোগ দিল পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নি প্রাইম।

সূত্রের খবর, সোমবার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিট নাগাদ ওড়িশা উপকূল থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রেটির সফল উৎক্ষেপণ হয়। এই মারণাস্ত্রটির প্রস্তুতকারক সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিও জানিয়েছে প্রথম ধাপের পরীক্ষায় সবকিছু একেবারে পরিকল্পনামাফিক হয়েছে। আগামীতে যুদ্ধক্ষেত্রে ভারতীয় সেনার হাত শক্তি করতে বড় ভূমিকা নিতে পারে এই দ্বিস্তরীয় সলিড প্রপেল্যান্ট বিশিষ্ট নয়া ব্রহ্মাস্ত্র।
অন্যদিকে ডিআরডিও-র কর্মকর্তারা এও জানিয়েছেন, এটি একইসঙ্গে রাস্তা এবং রেল-মোবাইল লঞ্চার থেকে নিক্ষেপ করা যায়। এমনকী নয়া প্রযুক্তির কারুকার্যে এর ওজন এতটাই কম যে একে বহন করতেও ভারী যানের প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু মারণক্ষমতা ও শক্তির বিচারে ১০০০ থেকে ২০০০ কিলোমিটার রেঞ্জের যে কোনও পারমানবিক মিসাইলকে জোর টক্কর দিতে সক্ষম অগ্নি প্রাইম।
এমনকী এই সিরিজের অন্য দুই মিসাইল, অগ্নি ১ ও অগ্নি ২-এর তুলনায় সামগ্রিক ক্ষমতা অনেকাই বেশি বলেও জানাচ্ছে ডিআরডিও। রিং-লেজার জাইরোস্কোপের উপর ভিত্তি করে এর নেভিগেশন সিস্টেমটি তৈরি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্রটির দুই স্তরেই সমন্বিত রকেট মোটর রয়েছে এবং গাইডেন্স সিস্টেমগুলি ইলেক্ট্রোমেকানিকাল অ্যাকিউইটরে সজ্জিত রয়েছে। যার ফলে এর মারণ ক্ষমতা আগের দুই সংস্করণের থেকে অধিকতর হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications