সীমান্তে চিন এখনও বড় সমস্যা, বলছেন নৌ-বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল
নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার মঙ্গলবার বলেছেন যে সীমান্তে চীন এখনও একটি "বড় চ্যালেঞ্জ" এবং দেশে সন্ত্রাসবাদে বেড়ে যাওয়ার জন্য অন্যতম কারণ। চিনের সীমান্তে ঘোরাফেরা করা একটা বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানাচ্ছেন তিনি। নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল বলেন যে চিন এই ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী চ্যালেঞ্জ হয়ে গিয়েছে এবং কেবল স্থলেই নয়, সামুদ্রিক সীমান্তেও তার উপস্থিতি বৃদ্ধি করে চলেছে।

ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জ
কুমার বলেন যে, "চিন একটি ভয়ঙ্কর চ্যালেঞ্জ হয়ে গিয়েছে এবং ভারত মহাসাগর অঞ্চলে তার নৌ উপস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য জলদস্যুতা বিরোধী অভিযানগুলিকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে শুধুমাত্র আমাদের স্থল সীমান্তেই নয়, সমুদ্রসীমায়ও তার উপস্থিতি বৃদ্ধি করেছে।" কুমার আরও বলেছিলেন যে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের সাথে একটি যুদ্ধকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না, তবে সশস্ত্র পদক্ষেপে বাড়ানো দরকার রয়েছে।

কী বলছেন প্রধান অ্যাডমিরাল?
নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল বলেছেন যে, "যদিও প্রতিদিন প্রতিযোগিতা চলছে, মাঝে মাঝে সীমা পরীক্ষা করা হচ্ছে, কিন্তু সশস্ত্র অ্যাকশনে না গিয়ে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের সাথে যুদ্ধকে কখনই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।" নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল আরও বলেন যে, "অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও পাকিস্তান তার সামরিক কার্যকলাপ অব্যাহত রেখেছে। পশ্চিমের দেশগুলির কাছে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও পাকিস্তান তার সামরিক আধুনিকীকরণ অব্যাহত রেখেছে, বিশেষ করে তার নৌবাহিনীতে, যা একটি ৫০-প্ল্যাটফর্ম বাহিনী হওয়ার পথে রয়েছে।"

সামরিক চ্যালেঞ্জ
তিনি আরও বলেন যে বর্তমানে যে সামরিক চ্যালেঞ্জ তার সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ আরও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কুমার বলেছেন যে, "যদিও এই প্রচলিত সামরিক চ্যালেঞ্জগুলি অব্যাহত থাকে, সন্ত্রাসবাদ একটি প্রধান নিরাপত্তা হুমকি হিসাবে রয়ে গেছে, কারণ এটি ক্রমে বেড়ে যাচ্ছে।"

চিন ভারত সংঘর্ষ
২০২০ সালের চিন-ভারতের সংঘাতগুলি চিন ও ভারতের মধ্যে চলমান সামরিক অবস্থান। ২০২০ সালের ৫ মে থেকে, চিনা ও ভারতীয় সেনারা চিন-ভারত সীমান্তের একাধিক স্থানে অ-প্রাণঘাতী আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ, মুখোমুখি লড়াই ও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে বলে জানা যায়। লাদাখের প্যাংগং হ্রদ এবং সিকিমের নাথু লা পাসের কাছে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এছাড়াও, ১৯৬২ সালের চিন-ভারত যুদ্ধ থেকে গঠিত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পূর্ব লাদাখের একাধিক স্থানে মুখোমুখি রয়েছে দুই দেশের সেনাবাহিনী।
মে মাসের শেষদিকে, চিনা বাহিনী গালোয়ান নদী উপত্যকায় ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে ভারতীয় সড়ক নির্মাণে আপত্তি জানিয়েছিল। ভারতীয় সূত্র মতে, ২০২০ সালের ১৫/১৬ জুনের সংঘাতের ফলে ২০ জন ভারতীয় সেনা (একজন অফিসার সহ) মারা যায় এবং ৪৩ জন চীনা সেনা (একজন অফিসারের মৃত্যু সহ) হতাহত হয়। একাধিক সংবাদপত্রে বলা হয়েছে যে ৪ জন কর্মকর্তা সহ ১০ জন ভারতীয় সেনাকে বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে ১৮ জুন চীনের সেনাবাহিনী তাঁদের মুক্তি দেয়। তবে ভারত এসব রিপোর্টকে স্বীকার বা অস্বীকার করেনি। ১৯ জুন, চিনের বিদেশ মন্ত্রক প্রতিক্রিয়াতে জানায় যে চিন "বর্তমানে কোনও ভারতীয় কর্মীকে আটক করেনি।"
-
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায়












Click it and Unblock the Notifications