অরুণাচল সীমান্ত ঘেঁসে চিনা তৎপরতা শুরু! লাদাখের বরফ গলতেই দিল্লির ফোকাসে বেজিংয়ের স্টান্স
অরুণাচল সীমান্ত ঘেঁসে চিনা তৎপরতা শুরু! লাদাখের বরফ গলতেই দিল্লির ফোকাসে বেজিংয়ের স্টান্স
লাদাখে শীতের বরফ সরে যেতে শুরু করেছে। এরপরই ধীরে ধীরে নিজের রক্ষে প্রকট হচ্ছে চিন। অন্তত বহু রাজনৈতিক বিশ্লেষকের এমনই দাবি। ফের একবার অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত ঘেঁসা এলাকার আশপাশ দিয়ে কর্মকাণ্ড শুরু করেছে শি জিনপিংয়ের দেশ।

লাদাখে চিনা তৎপরতা
লাদাখে শীতের বরফ গলতেই ধীরে ধীরে সীমান্তের ওপারে একাধিক এলাকায় চিনের সেনা জওয়ানদের উপস্থিতি বাড়তে দেখা যাচ্ছে। যে বিষয়টিকে খুব একটা সোজা চোখে দেখেছ না দিল্লি। ইতিমধ্যেই কোভিড পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে চিন শেষমেশ নিম্নমানের মেডিক্যাল সামগ্রী ভারতে পাঠিয়েছে । এরপর আরও এক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে অরুণাচল সীমান্তে।

চিন সীমান্তে কী ঘটছে?
চিনের ইয়ারলুং জ্যাংগবো গ্র্যান্ড ক্যানিয়ানের পাশ দিয়ে একটি হাইওয়ে বানাচ্ছে চিন। সেদেশে হাইওয়েটি দেশের উন্নয়নের বার্তা দিয়ে বানানো হলেও, তিব্বত ঘেঁসা এই হাইওয়ে ভারতের অরুণাচল সীমান্তের ক্ষেত্রে বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। এই হাইওয়ে কার্যত চিনের স্ট্র্যাটেজিক হাইওয়ে। যা অরুণাচল সীমান্ত বরাবর নির্মিত হতেই দিল্লি কড়া নজরে রাখছে বেজিংয়ের স্টান্সকে।

ইয়ারলুং জ্যাংগবো গ্র্যান্ড ক্যানিয়ান ও কিছু তথ্য
প্রসঙ্গত, চিনের জ্যাংবো গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন ৬০০৯ মিটার গভীর। ৩১০ মার্কিন ডলার দিয়ে এখানে হাইওয়ে নির্মিত হচ্ছে। এর হাত ধরে দুটি টাউনশিপকে জুড়ে চিন। যার দ্বারা দুটি এলাকায় ৮ ঘণ্টার সফর-সময় কমবে। যা আট ঘণ্টা থেকে কমে দাঁড়াবে ২ ঘণ্টায়।

দিল্লির কড়া নজর
এদিকে, যে লাদাখ-বরফ পুরোপুরি গলেনি ভারত ও চিনের মধ্যে, তা বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের সাম্প্রতিক মন্তব্যেই প্রকাশিত। ভারতের সঙ্গে লাদাখ নিয়ে চিনের বিবাদ যে এখনও সংকট জনক জায়গায় রয়েছে তার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়প্রকাশ। এখনও লাদাখে যে উত্তেজনা বজায় রয়েছে তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে তাঁর মন্তব্যে। উল্লেখ্য, প্যাংগং সো হ্রদের কাছে হট স্প্রিং এলাকায় ফের লালফৌজ রুট মার্চ শুরু করেছে। এলএসি থেকে ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে তাঁরা ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আর গোটা বিষয়টিই ভালো চোখে দেখছে না ভারত।












Click it and Unblock the Notifications