বৃদ্ধ বাবা-মাকে না দেখলেই জেল, বিহার সরকারের ঐতিহাসিক নিদান
বিহার সরকারের ঐতিহাসিক নিদানে নিশ্চিন্ত হতে পারেন প্রৌঢ় কিংবা বৃদ্ধ বাবা-মায়েরা। আবারও দেশে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।
বিহার সরকারের ঐতিহাসিক নিদানে নিশ্চিন্ত হতে পারেন প্রৌঢ় কিংবা বৃদ্ধ বাবা-মায়েরা। আবারও দেশে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।

যে সন্তানরা বৃদ্ধ অভিভাবকের যত্ন নিতে পারবেন না, তাঁদের জেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করল বিহার সরকার। মঙ্গলবার এক বৈঠকে মোট ১৭টি প্রস্তাবকে সবুজ সংকেত দেয় বিহারের মন্ত্রিসভা। সেগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল সন্তান ও বৃদ্ধ অভিভাবকদের বোঝাপড়া সম্পর্কিত এই নিদান। রাজ্য মন্ত্রিসভা ছাড়পত্র দেওয়ায় বিলটি এবার বিহার বিধানসভায় পেশ করা হবে। সেখানে সর্বসম্মতি ক্রমে পাশ হলে, তবেই তা আইনে পরিণত হবে।
সূত্রের খবর, রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তাঁর কথায়, সন্তানরা বৃদ্ধ বাবা-মায়ের যত্ন নেন না, কিংবা তাঁদের ছেড়ে চলে যান, এমন ঘটনা আকচার ঘটে। যে বাবা-মায়েরা নিজেদের জীবন-পাত করে সন্তানদের ভালোর কথা ভাবেন, তাদের প্রতি সেই সন্তানদের দুর্ব্যবহার মেনে নেওয়া যায় না বলেই মনে করেন নীতীশ কুমার। বিহার মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরাও মুখ্যমন্ত্রীর কথায় সহমত পোষণ করেন।
বিহার মন্ত্রিসভায় পাশ হওয়া ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কোনো সন্তান তাঁর বৃদ্ধ বাবা-মার যত্ন না নিলে, তাঁদের ছেড়ে দিলে এবং সে ব্যাপারে অভিযোগ জমা পড়লে, অভিযুক্তের হাজতবাস হবে। উল্লেখ্য, এক সমীক্ষায় জানা গেছে, ভারতে ষাটোর্ধ্ব নাগরিকের সংখ্যা প্রায় দশ কোটি। তার মধ্যে সিংহভাগ প্রবীণ নাগরিকই সন্তানদের দ্বারা অত্যাচারিত বলে এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা প্রকাশিত রিপোর্টে জানানো হয়েছে। বিহারে এই অভ্যাস চলবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।












Click it and Unblock the Notifications