দিল্লির দূষণে ঘরবন্দি শিশুরা, বাড়ছে শ্বাসকষ্টের সমস্যা
শীতের শুরুতেই দিল্লির দূষণ ভয়াবহ আকার নিয়েছে৷ বাতাসের মান অত্যন্ত খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে গত বেশ কয়েক দিন ধরে৷ রবিবারের সকালেও সেই একই ঘটনা দেখা গেল৷ সকালে বাতাসের দৃশ্যমানতা একদমই ছিল না। ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকে গোটা দিল্লি।
পরিস্থিতির উন্নতির জন্য আশু ব্যবস্থা নিয়েছে দিল্লির সরকার। কিন্তু পরিস্থিতি উন্নতি হতে এখনও বেশ কয়েক দিন লাগবে। সেই কথাই মনে করছে আইআইটিএম। বাতাসের গুণগত মান অত্যন্ত খারাপ পর্যায়ে রয়েছে। ৪৫০ এর উপর মান রয়েছে বলে খবর বিভিন্ন জায়গায়।

লালকেল্লা, তাজমহলের দৃশ্যমানতা কমে এসেছে। সকাল ও বিকালে বিমান ওঠানামার ক্ষেত্রেও প্রবল সমস্যা দেখা দিয়েছে৷ দূষণ ও কুয়াশার চাদর ঢেকে থাকে দিল্লির আকাশ। ফলে বিমান সকালের দিকে ওঠানামা করতে পারছে না। বহু বিমান দেরিতে ওঠানামা করছে৷ বেলা বাড়লে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। তখন পরিষেবাও স্বাভাবিক হচ্ছে৷ কিন্তু সন্ধের পর থেকেই ফের শুরু হয়ে যাচ্ছে সমস্যা৷ রাত যত বাড়ছে, তত সেই সমস্যা গাঢ় হচ্ছে৷
বাচ্চাদের স্কুল যাওয়া আপাতত বন্ধ। অনলাইনে বাড়িতে বসে ক্লাস চলছে প্রাইমারি স্কুলগুলির বাচ্চাদের। এদিকে বাচ্চাদের মধ্যেও যথেষ্ট এলার্জির সমস্যা দেখা দিচ্ছে। শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিচ্ছে একাধিক শিশুর। হাসপাতালের আউটডোর ও ডাক্তারদের চেম্বারে শিশু রোগীদের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানা যাচ্ছে। দূষণের জেরে ছোটরা বেশি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে৷ সেই কথা জানা গিয়েছে।
দিল্লিতে গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে৷ কিন্তু তাতে কতটা লাভ হবে? দিন কয়েক না কাটলে পরিস্থিতির সম্পর্কে বোঝা যাবে না। গত কয়েক বছর ধরে দিল্লিতে দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য জোড় বিজোড় সংখ্যায় গাড়ি চালানো হয়৷ এবারও কি সরকার সেই নির্দেশ দেবে? চর্চা চলছে৷
পাঁচ দিন পর দূষণের পরিমাণ সামান্য কমবে। সেই কথা আগে বলা হয়েছে। সেক্ষেত্রে মঙ্গলবারের পর পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে৷ সেই অনুমান করা হচ্ছে৷












Click it and Unblock the Notifications